নিম্নচাপের প্রভাবে খাগড়াছড়িতে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ কারণে চেঙ্গী, মাইনী নদীতে হু হু করে বাড়ছে পানি। বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভারি বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসের শঙ্কাও বেড়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে, টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং করছে স্থানীয় প্রশাসন।
শুক্রবার (৩০ মে) খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস এ বিষয়ে মাইকিং করাসহ দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে।
খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড় ধসের আশঙ্কায় সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড ও সরেজমিন পরিদর্শন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
একইসঙ্গে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে চলে যেতে মাইকিংসহ নানা প্রচারণা চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা প্রশাসন জানায়, পাহাড় ধসের আশঙ্কায় জেলা সদরে চারটি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে। যদিও এখনও কেউ কোনো আশ্রয় কেন্দ্রে যাননি।
এদিকে, শুক্রবার বান্দরবান শহরের ইসলামপুর, স্টেডিয়ামপাড়া ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা গেছে।
টানা বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। উজান থেকে পানি নেমে আসায় পাহাড়ি ঢল ও বন্যার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে প্রশাসন।
বান্দরবান জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিভিন্ন স্কুল-কলেজে মোট ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে খোলা হয়েছে জরুরি সেবা বুথ।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মাধ্যমে দুর্যোগকালীন সময়ে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সরবরাহ করা হয়েছে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও প্রয়োজনীয় ওষুধ।



