Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বলিউড আঁকড়ে থাকায় শাহরুখকে প্রিয়াঙ্কার ‘খোঁচা’

প্রিয়াঙ্কা বলেন, আমি কাজ করতে ভালোবাসি। আমি এক দেশে সফল বলে অন্য দেশে যেতে চাইবো না। এমনটা ভাবি না

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২৩, ১২:০৫ পিএম

বলিউড বাদশা শাহরুখ খান তার নিজ ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে হলিউডে যেতে চান না। এটি তিনি অনেকবার জানিয়েছেন। তবে, বলিউডের অনেক তারকাই হলিউডে কাজ করার ইচ্ছে পোষণ করে থাকেন। অনেকে পাড়িও জমাচ্ছেন।

শাহরুখের হলিউডে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে অনেকে বাহবা জানিয়েছেন। তবে কিং খানের এমন সিদ্ধান্তে “খোঁচা” মেরেছেন বলিউড-হলিউড দুই ইন্ডাস্ট্রিতে সমান ব্যস্ত থাকা অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কাকে প্রশ্ন করা হয়, “শাহরুখ হলিউডে কাজ নিয়ে বলেছেন, ‘আমি ওখানে যাব কেন? আমি তো এখানেই আরামে আছি।' এ বিষয়ে প্রিয়াঙ্কার মতামত কী?”

এর উত্তরে তিনি বলেন, “আমি কাজ করতে ভালোবাসি। আমি এক দেশে সফল বলে অন্য দেশে যেতে চাইবো না। এমনটা ভাবি না।”

বুধবার (১৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, দীপিকা পাডুকোনরা হলিউডে বেশ দাপটের সঙ্গে জায়গা করে নিলেও বলিউডের খানেরা তা পারেননি। তারা বলিউডেই সবচেয়ে প্রভাবশালী ও দাপুটে অভিনেতা। হলিউডে যাওয়ার ইচ্ছেও তাদের তেমন একটা দেখা যায় না।

তবে খানদের এমন “ইগো” থাকার বিষয়টিকে সমালোচনা করেছেন প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলছেন, কাজের থেকে ইগো বড় নয়। কাজ করে যেতে হবে। 

২০০২ সালের বিনোদন জগতে ক্যারিয়ার শুরু করেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। অন্যদিকে হলিউডে কাজ করারও প্রায় ৮ বছর হয়ে যাচ্ছে তার। “কোয়ান্টিকো” নামে একটি টিভি সিরিজে কাজ করার পর তিনি হলিউডে জনপ্রিয়তা পান। 

তাকে প্রথমবার হলিউডের “বেওয়াচ” (২০১৭) সিনেমায় দেখা যায়। সামনে তার “সিটাডেল” নামে একটি সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। এই সিনেমার প্রচারে এসে ওই সাক্ষাৎকারটি দিয়েছেন তিনি।

প্রিয়াঙ্কা সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “আমি আরামে থাকতে পছন্দ করি না। আমি অহংকারী নই। আমি নিজেকে জানি। আমি যখন সেটে ঢুকি আমি জানি আমি কী করছি, বা করতে চলেছি। আমার কোনো এক্সিকিউটিভের ভ্যালিডেশনের প্রয়োজন নেই। আমি অডিশন দিতে পছন্দ করি। আমি কাজ করতে ভালোবাসি। আমি এক দেশে সফল বলে সেটাকে বয়ে অন্য দেশে যেতে চাই না। এমনটা ভাবি না।”

নিজের কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি পেশাদারিত্ব রক্ষা করি। আমার আশপাশের মানুষদের জিজ্ঞেস করলে তারাও একই মন্তব্য করবেন। এটি নিয়ে আমার কোনো গর্ব নেই। আমার বাবা আর্মিতে ছিলেন। তিনি আমাকে নিয়মের মধ্যে থাকার গুরুত্ব শিখিয়েছিলেন। কাজের থেকে ইগো বড় নয়। নিজেকে কাজের মধ্যে উজাড় করে দেওয়ার মধ্যেই স্বার্থকতা রয়েছে।”

About

Popular Links