Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কিশোর কুমার ঘরে রাখতেন কঙ্কাল আর মাথার খুলি

ছেলে অমিত কুমার জানালেন ঠিক কী কারণে বাড়িতে খুলি রাখতেন তার বাবা

আপডেট : ২৬ মে ২০২৫, ০৫:৩৫ পিএম

হাসিখুশি মানুষ ছিলেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী কিশোর কুমার। অনেকের সঙ্গেও ঠাট্টা-তামাশা করতেন তিনি। তবে তার কিছু কীর্তিকলাপের কারণে মানুষ তাকে খামখেয়ালি উপাধি দিয়েছিল। শুধু তাই নয়, কিশোর কুমার তার বাড়িতে কঙ্কাল আর মাথার খুলি রাখতেন।

কী চমকে উঠলেন তো? তবে একথা একদম সত্যি। একবার গায়কের কঙ্কাল ও মাথার খুলি রাখার বিষয়টি খবরের শিরোনামেও উঠে এসেছিল। সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেবিষয়েই কথা বলেছেন কিশোর কুমারের ছেলে অমিত কুমার। তিনি জানিয়েছেন, কেন তার বাবা বাড়িতে মাথার খুলি রাখতেন।

অমিত বলেন, “এই কারণে লোকজন বাবাকে পাগল ভেবেছিল, তবে বাবা এসব পাত্তা দিতেন না।”

অমিত কুমারকে প্রশ্ন করা হয়, তার বাবা কী মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য মাথার খুলি, হাড়গোড়, কঙ্কাল, এসব রাখতেন? অমিত জানান, তাদের বাড়িতে মাথার খুলি রয়েছে, যদিও সেটা কাউকে ভয় দেখানোর জন্য নয়।

তিনি বলেন, “ওগুলো আমরাই এনেছিলাম। আমরা পূর্ব আফ্রিকার নাইরোবিতে শো করতে গিয়েছিলাম। বাবার শখ ছিল এইরকম অ্যান্টিক টাইপের (প্রাচীন) জিনিস সংগ্রহ করা। ফেরার পথে আমরা এগুলো নিয়ে এসেছিলাম, ওগুলো এখন ট্রাস্টের কাছে আছে।”

অমিত জানান, তার বাবা আফ্রিকান সংস্কৃতি এবং সঙ্গীত পছন্দ করতেন। তার গানে বিশ্ব সংস্কৃতিরও প্রতিফলন ঘটেছে।

অমিতকে প্রশ্ন করা হয়, তার বাবার ভাবমূর্তি নিয়েও কথা হতো, অনেকে তাকে অহংকারী মানুষ বলতেন।

অমিত এবিষয়ে বলেন, “এগুলো সবই গুজব। উনি নিজেই নিজেকে নিয়ে মজা করতেন।” বাবা (কিশোর কুমার) বলতেন, “আচ্ছা, পৃথিবী আমাকে পাগল বলে, আমি নিজেও তো বলি, এই পৃথিবী পাগল। যে আমাকে পাগল বলে, তাদের বলতে দাও, এটা খারাপ কিছু নয়।”

অমিত কুমার জানান, তার বাবা ভাবতেন সবাইকেই একদিন এই কঙ্কালের মতো হয়ে যেতে হবে।

চলচ্চিত্র প্রযোজক এসডি নারাংয়ের সঙ্গে তার বাবার এক সাক্ষাতের গল্পও বলেছেন অমিত। কিশোর কুমার সম্পর্কে অদ্ভুত সব গল্প শুনে নারাং একবার তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বারবার মেঝেতে পা ঠুকছিলেন।

কিশোর কুমার বিভ্রান্ত হয়ে জানতে চাইলেন, কেন তিনি এটা করছেন। এর উত্তরে নারাং বলেন, “আমি শুনেছি তুমি এই মেঝেটা তৈরি করেছ, যা খুলে যায় এবং মানুষ ভিতরে পড়ে যায়...এটা একটা ফাঁদের মতো।”

একথা শুনেই কিশোর কুমার হাসিতে ফেটে পড়েন। তিনি বলেন, “অ্যাইসা কুছ ভি নহি হ্যায় (এমন কিছু নেই)।”

   

About

Popular Links

x