Sunday, June 07, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

থাইরয়েড থাকলে যা খাবেন, যা এড়িয়ে চলবেন

হাইপোথাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ নয়, সঠিক খাদ্যাভ্যাসও সমান গুরুত্বপূর্ণ

আপডেট : ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম

হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া, সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা, অতিরিক্ত চুল পড়া, ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করা বা হৃৎস্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া, এসব লক্ষণকে অনেকেই সাধারণ সমস্যা বলে এড়িয়ে যান। কিন্তু এগুলো থাইরয়েডজনিত সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তবে হাইপোথাইরয়েডিজম ও হাইপারথাইরয়েডিজম এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি অবস্থা, যেখানে নিয়মিত ওষুধের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আনা জরুরি।

কেন ডায়েট গুরুত্বপূর্ণ?

হাইপোথাইরয়েডিজম নিয়ন্ত্রণে সুষম খাদ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিনের খাবারে সবুজ শাকসবজি, দানাশস্য, ডালিয়া, ওটস এবং পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। সূর্যমুখীর বীজ ও তিলের মতো সেলেনিয়ামসমৃদ্ধ খাবারও উপকারী, কারণ সেলেনিয়াম টি-৩ ও টি-৪ হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সকালের নাশতায় কী খাবেন?

সকালে খালি পেটে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী থাইরয়েডের ওষুধ গ্রহণ করুন।
ওষুধ খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পর চা বা কফি পান করুন।
ক্যালসিয়াম বা আয়রন সাপ্লিমেন্ট থাকলে তা থাইরয়েডের ওষুধের অন্তত চার ঘণ্টা পরে গ্রহণ করুন।

সকালের খাবারে প্রোটিন, ফাইবার ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। এতে বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়। আয়োডিন, সেলেনিয়াম ও জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবারও গুরুত্বপূর্ণ।

উপকারী খাবার

সেদ্ধ ডিম বা পোচ ডিম (কুসুমে আয়োডিন ও সেলেনিয়াম, সাদা অংশে প্রোটিন)
ওটসের চিলা
ডালিয়ার খিচুড়ি
বিভিন্ন ধরনের বাদাম
কাঠবাদাম ও ওটস মিল্কের স্মুদি
চিয়া সিড, তিসি বা কুমড়োর বীজ
টক দই (প্রোবায়োটিকের ভালো উৎস)

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

সয়াবিন, সয়া মিল্ক ও টোফু
অতিরিক্ত পরিমাণে বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকোলি ও ওলকপি
খালি পেটে চা বা কফি
সাদা পাউরুটি, পেস্ট্রি ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার
প্যাকেটজাত ফলের রস
প্রক্রিয়াজাত খাবার
অতিরিক্ত চিনি মেশানো ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল

চা বা কফির পরিবর্তে খাবারের পরে গ্রিন টি পান করতে পারেন।

মনে রাখবেন

হাইপোথাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ নয়, সঠিক খাদ্যাভ্যাসও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং পুষ্টিকর খাবার থাইরয়েডজনিত জটিলতা কমাতে ও সুস্থ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

   

About

Popular Links

x