সিগারেট ক্ষতিকর জেনেও অনেকই মানুষই ধূমপান করেন। আসলে যারা দীর্ঘদিন সিগারেটকে সঙ্গী করেছেন তাদের সবারই নিকোটিনের ওপর এক ভয়ানক নির্ভরতা জন্মিয়েছে। তাদের ধারণা বাথরুমে বসে সিগারেট পান না করলে জীবনটাই বৃথা। আবার বাথরুমে ধূমপান না করলে অনেকের সকালের প্রাতঃকৃত্য ঠিকমতো হয় না।
ধূমপানের নেশা মারাত্মক। কিন্তু সেসব কথা প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকলেও অনেকে ধূমপান ছাড়তে পারছেন না। মানুষ অভ্যাসের দাস। এমন অনেকেই রয়েছেন যাদের বিড়ি-সিগারেট না হলে সকালের কাজ ঠিকমতো হয় না। কিন্তু এর জন্য শরীরের ওপর কিছু প্রভাবও পড়ছে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক বাথরুমে বসে ধূমপানে শরীরের ওপর কী প্রভাব পড়ে
সিগারেটের ধোঁয়া থেকে কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হয়। বদ্ধ ঘরের মধ্যে কার্বন মনোক্সাইড বেশি মাত্রায় থাকলে প্রাণহানিও হতে পারে। কারণ এটি প্রথমেই মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব ফেলে। ফলে প্রাথমিকভাবে মানুষ বিচারবুদ্ধির স্বাভাবিক ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। পরে শ্বাসকষ্টের দরুণ অচৈতন্য হয়ে পড়ে।
এছাড়াও বদ্ধ ঘরের মধ্যে সিগারেট খেলে প্যাসিভ স্মোকিংয়ের আশঙ্কা বেড়ে যায়। ওই ব্যক্তির পর যিনি টয়লেটে যাবেন, তার গুরুতর সমস্যা হতে পারে। তিনিও প্যাসিভ স্মোকিংয়ের শিকার হবেন।
শিশুরা প্যাসিভ স্মোকিং করলে শ্বাসযন্ত্র দুর্বল হয়ে যেতে পারে। সর্দিকাশি সহজেই তাদের কাবু করে ফেলে। তাই বাথরুম বা ঘরের মধ্যে সিগারেট না খাওয়াই ভালো।



শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে ধূমপান করে ডেকে আনছেন যে বিপদ
ধূমপান করতে নিষেধ করায় শিক্ষককে ছুরিকাঘাত