Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আম বেশি খেলে হতে পারে যেসব বিপত্তি

অনেকেই একের পর এক আম খেতে থাকেন

আপডেট : ১৬ জুন ২০২৫, ০২:৫৫ পিএম

বাজারে চলছে আমের ভরা মৌসুম। হিমসাগর থেকে আম্রপালি- নানা ধরনের আমের সমারোহ বাড়িতে। আমে আছে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ, যা শরীরের জন্য উপকারী। তবে অতিরিক্ত আম খেলে হতে পারে বিপদ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত আম খাওয়া ফলে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এর মধ্যে ডায়াবেটিসসহ ওজন বেড়ে যাওয়া, বদহজম, পেটে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যার সৃষ্টি হয়। আমের কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া আছে, জেনে নিন সেগুলো-

যেহেতু আমে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি থাকে, তাই এটি ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আপনি যদি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন, তবে আপনাকে অবশ্যই আম খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অনেকেই একের পর এক আম খাওয়া শুরু করেন। তবে জানেন কি, অতিরিক্ত আম খাওয়া ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। আম প্রচুর পরিমাণে আঁশসমৃদ্ধ, যা অতিরিক্ত খেলে ডায়রিয়ার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

আমে রয়েছে “ইউরিশিয়াল” নামক রাসায়নিক। যার ফলে অনেকের শরীরেই অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকের চর্মরোগও দেখা দেয়। এই রাসায়নিকের ফলে ত্বকের সমস্যা যেমন- ত্বক ফুলে ওঠা, ফোস্কা এবং চুলকানি হতে পারে।

যাদের ত্বকে অ্যালার্জির প্রবণতা আছে, তারাও আম খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনুন। এদের আম খেলে চোখ জ্বালা, হাঁচি, পেটে ব্যথা, ঠান্ডা লেগে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। তাই আম খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।

অতিরিক্ত আম খেলে বদহজম হতে পারে। বিশেষ করে কাঁচা আম বদহজমের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে। ফলের রাজা আমে ক্যালোরির পরিমাণও বেশি। যা দ্রুত ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। একটি মাঝারি আকারের আমের মধ্যে থাকে ১৫০ ক্যালোরি। সুতরাং আপনি যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে অতিরিক্ত আম খাওয়া থেকে দূরে থাকুন।

অনেকে আম চিবিয়ে না খেয়ে আমের জুস করে খান। কিন্তু এতে আমের মধ্যে অবস্থিত ফাইবারগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সেই ফাইবারের গুণাগুণ শরীরে কাজে লাগে না। উল্টে পেটের সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আমে থাকা ছত্রাক কারও কারও শরীরে প্রবেশ করলে জ্বরের কারণ হতে পারে। আমবাত বা ছত্রাকজনিত একটি ত্বকের রোগ, যা ত্বকের ফুসকুড়ি, চুলকানি এবং ত্বকের লালচেভাব সৃষ্টি করে। এই সমস্যাটি নির্দিষ্ট খাবার, স্ট্রেস বা ওষুধের কারণে হয়ে থাকে।

একাধিক গবেষণা অনুসারে, আম শরীরের উত্তাপ অনেক বাড়িয়ে তোলে। তাই গরমে অত্যাধিক আম খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

আয়ুর্বেদের মতে, আম কখনই দুধের সঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। এটি বদহজম, ডায়রিয়াসহ পেটের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।

বাতজনিত সমস্যায় যারা ভুগছেন, সেসব রোগীরা খুব অল্প পরিমাণে আম খেতে পারবেন। অতিরিক্ত খেলে সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

আম খাওয়ার পর অনেকেই “ম্যাংগো মাউথ” সমস্যার সম্মুখীন হন। এর ফলে মুখের মধ্যে চুলকানি, ফোলাভাব এবং মুখের চারপাশে ফোসকা, ঠোঁট এবং জিহ্বায় জ্বালা-পোড়াভাব হতে পারে।

   

About

Popular Links

x