Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইন্টারনেট-বিচ্ছিন্ন ইরানে সক্রিয় স্টারলিংক

টার্মিনাল পাচারের মাধ্যমে গোপন চোরাচালান চক্র ইন্টারনেট সরবরাহ করছে 

আপডেট : ০৩ মে ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম

ইন্টারনেট-প্রযুক্তিবিচ্ছিন্ন ইরানে একটি গোপন চোরাচালান চক্র স্যাটেলাইট ইন্টারনেট টার্মিনাল পাচারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সরবরাহ করছে।

রবিবার (৩ মে) বিবিসির একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। 

বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, মূলত স্টারলিংক গোপন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইরানে নীরবে তাদের জাল বিস্তার করছে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে গোপনে বৈশ্বিক ইন্টারনেট প্রবেশ করাচ্ছে, কারণ এই প্রযুক্তিটি এখনও নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। 

চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানে ব্যাপক সহিংসতা চালায় আমেরিকা-ইসরায়েল। পরবর্তী সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান সরকার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট জারি করে, তখন এই গোপন নেটওয়ার্কটি সক্রিয় হয়ে ওঠে দেশটিতে।  

সাহান্দ (ছদ্মনাম) নামের এক ব্যক্তি বিবিসিকে বলেন, “যদি একজন অতিরিক্ত ব্যক্তিও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে, আমি মনে করি এটি সফল এবং সার্থক।”

তিনি জানান, ইরানে যে স্টারলিংক ডিভাইসগুলো পাঠানো হয় সেগুলো শাটডাউন এড়ানোর অন্যতম কার্যকর উপায়সম্পন্ন। ফলে সহজেই কর্তৃপক্ষের কড়া নজরদারি পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। 

সাহান্দ বিবিসিকে আরও বলেন, “একটি টার্মিনালে একবারে বেশ কয়েকজন সংযোগ করতে পারে।’’ সীমান্ত দিয়ে এই ডিভাইসগুলো পাচার করাকে ‘অত্যন্ত জটিল অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। 

ইরানের এই গোপন নেটওয়ার্কে কারা অর্থায়ন করছে, বিবিসি প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে সাহান্দ জানান, তিনি যে অভিযানের সঙ্গে জড়িত, তাতে অর্থায়ন করে বিদেশে বসবাসকারী ইরানিরা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির মানুষদের সাহায্য করতে ইচ্ছুক নাগরিকরা। এর মধ্যে স্টারলিংক টার্মিনাল কেনাও অন্তর্ভুক্ত। তার মতে, কোনো রাষ্ট্র এই অভিযানে অর্থায়ন করে না। 

সাহান্দ বিবিসিকে বলেন, “মাঠপর্যায়ে কী ঘটছে তা নিজ দেশসহ বিশ্ববাসীকে জানানোর জন্য মানুষের ইন্টারনেট প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, এই টার্মিনালগুলো তাদের হাতেই থাকা উচিত, যারা পরিবর্তনের পক্ষে।” 

   

About

Popular Links

x