স্পেনে যাওয়ার পথে এক বছরে সাগরে হারিয়েছেন ৪৪০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী
উন্নত জীবনের আশায় বিপজ্জনকভাবে সমুদ্র পার হয়ে স্পেনে পাড়ি জমাতে গিয়ে এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী হারিয়ে গেছেন
ছবি: রয়টার্স
ট্রিবিউন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২২, ০৬:৪২ পিএমআপডেট : ১০ মার্চ ২০২২, ০১:৩০ পিএম
সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপের দেশ স্পেনে পাড়ি জমাতে গিয়ে গত এক বছরে সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে গেছেন চার হাজার চারশত অভিবাসনপ্রত্যাশী । এদের মধ্যে কমপক্ষে ২০৫ শিশু রয়েছে।
অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা স্প্যানিশ সংস্থা ওয়াকিং বর্ডারসের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সোমবার (৩ জানুয়ারি) সংস্থাটি জানিয়েছে, উন্নত জীবনের আশায় বিপজ্জনকভাবে সমুদ্র পার হয়ে স্পেনে পাড়ি জমাতে গিয়ে এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী হারিয়ে গেছেন।
সংস্থাটির দাবি, ২০১৮ সাল থেকে সাগরে হারিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের হিসেব রাখা শুরুর পর ২০২১ সালেই প্রথম এতো বিপুল সংখ্যক মানুষের সাগরে হারিয়ে যাওয়ার সংখ্যা রেকর্ড করেছে তারা।
সংস্থাটির হিসেব অনুযায়ী, ২০২১ সালে হারিয়ে যাওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যা ২০২০ সালের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।
সংস্থাটির দাবি, ক্রমবর্ধমানভাবে বিপজ্জনক রুট ও নিম্নমানের নৌকা ব্যবহার এবং গভীর সমুদ্রে বিপদাপন্ন অভিবাসীদের সহায়তায় এগিয়ে যেতে কিছু জাহাজের অনিচ্ছার করণেই গত বছর সাগরে প্রাণহানি বেড়েছে।
স্পেনের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালে নথিপত্রহীন ৩৯ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগর ও স্থলপথে স্পেনে পৌঁছেছে। ২০২০ সালেও এই সংখ্যাটি ছিল অনেকটা একই রকম।
ওয়াকিং বর্ডারস বলছে, ২০২০ সাল থেকে সদ্য সমাপ্ত বছরের ডিসেম্বরের ২০ তারিখ পর্যন্ত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে স্পেনে পৌঁছাতে গিয়ে প্রাণ হারানো বা নিখোঁজ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ৯০% এর বেশি আটলান্টিক মহাসাগরের স্প্যানিশ দ্বীপ ক্যানারি আইল্যান্ডে পৌঁছাতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।
মানবাধিকার সংস্থা ক্যামিনাডো ফ্রন্টিরাস-এর প্রতিষ্ঠাতা হেলেনা ম্যালেনো গারজন রয়টার্সকে জানান, বিপদাপন্ন অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সাহায্য প্রদানের জন্য নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে ফোনকল এবং নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য নিয়েএই পরিসংখ্যান দাঁড় করিয়েছেন তারা।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বরের ২২ তারিখ পর্যন্ত স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে সমুদ্র পাড়ি দিতে গিয়ে ৯৫৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৪ সালের পর থেকে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ।
স্পেনে যাওয়ার পথে এক বছরে সাগরে হারিয়েছেন ৪৪০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী
উন্নত জীবনের আশায় বিপজ্জনকভাবে সমুদ্র পার হয়ে স্পেনে পাড়ি জমাতে গিয়ে এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী হারিয়ে গেছেন
সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপের দেশ স্পেনে পাড়ি জমাতে গিয়ে গত এক বছরে সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে গেছেন চার হাজার চারশত অভিবাসনপ্রত্যাশী । এদের মধ্যে কমপক্ষে ২০৫ শিশু রয়েছে।
অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা স্প্যানিশ সংস্থা ওয়াকিং বর্ডারসের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সোমবার (৩ জানুয়ারি) সংস্থাটি জানিয়েছে, উন্নত জীবনের আশায় বিপজ্জনকভাবে সমুদ্র পার হয়ে স্পেনে পাড়ি জমাতে গিয়ে এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী হারিয়ে গেছেন।
সংস্থাটির দাবি, ২০১৮ সাল থেকে সাগরে হারিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের হিসেব রাখা শুরুর পর ২০২১ সালেই প্রথম এতো বিপুল সংখ্যক মানুষের সাগরে হারিয়ে যাওয়ার সংখ্যা রেকর্ড করেছে তারা।
সংস্থাটির হিসেব অনুযায়ী, ২০২১ সালে হারিয়ে যাওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যা ২০২০ সালের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।
সংস্থাটির দাবি, ক্রমবর্ধমানভাবে বিপজ্জনক রুট ও নিম্নমানের নৌকা ব্যবহার এবং গভীর সমুদ্রে বিপদাপন্ন অভিবাসীদের সহায়তায় এগিয়ে যেতে কিছু জাহাজের অনিচ্ছার করণেই গত বছর সাগরে প্রাণহানি বেড়েছে।
স্পেনের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালে নথিপত্রহীন ৩৯ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগর ও স্থলপথে স্পেনে পৌঁছেছে। ২০২০ সালেও এই সংখ্যাটি ছিল অনেকটা একই রকম।
ওয়াকিং বর্ডারস বলছে, ২০২০ সাল থেকে সদ্য সমাপ্ত বছরের ডিসেম্বরের ২০ তারিখ পর্যন্ত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে স্পেনে পৌঁছাতে গিয়ে প্রাণ হারানো বা নিখোঁজ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ৯০% এর বেশি আটলান্টিক মহাসাগরের স্প্যানিশ দ্বীপ ক্যানারি আইল্যান্ডে পৌঁছাতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।
মানবাধিকার সংস্থা ক্যামিনাডো ফ্রন্টিরাস-এর প্রতিষ্ঠাতা হেলেনা ম্যালেনো গারজন রয়টার্সকে জানান, বিপদাপন্ন অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সাহায্য প্রদানের জন্য নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে ফোনকল এবং নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য নিয়েএই পরিসংখ্যান দাঁড় করিয়েছেন তারা।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বরের ২২ তারিখ পর্যন্ত স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে সমুদ্র পাড়ি দিতে গিয়ে ৯৫৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৪ সালের পর থেকে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ।
বিষয়: