Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষে মিলল নেকলেস

নেকলেসটি প্রাগৈতিহাসিক যুগের মেগালোডন হাঙরের দাঁত দিয়ে তৈরি

আপডেট : ২৯ মে ২০২৩, ০১:১৮ পিএম

১৯১২ সালে ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে যাচ্ছিল টাইটানিক। প্রথম যাত্রাতেই ১৫ এপ্রিল হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় তৎকালীন সময়ের সর্ববৃহৎ জাহাজটি। সেই সঙ্গে প্রায় দেড় হাজার যাত্রীর মৃত্যু হয়।

ডুবে যাওয়ার পর ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে। সম্প্রতি এ জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি নেকলেসের সন্ধান মিলেছে। এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

নেকলেসটি প্রাগৈতিহাসিক যুগের মেগালোডন হাঙরের দাঁত দিয়ে তৈরি। টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষে এ অলঙ্কারের ছবি ধারণ করেছে গভীর সমুদ্র ম্যাপিং প্রতিষ্ঠান ম্যাগেলান। প্রথমবারের মতো থ্রিডি (ত্রিমাত্রিক) স্ক্যানের মাধ্যমে টাইটানিকের পুরো ধ্বংসাবশেষের চিত্র তৈরির অংশ হিসেবে এ কাজ করা হয়েছে।

ম্যাগেলানের প্রধান নির্বাহী (চিফ এক্সিকিউটিভ) রিচার্ড পারকিনসন টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষে নেকলেস আবিষ্কারের ঘটনাটাকে শ্বাসরুদ্ধকর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে থাকা চুক্তির কারণে নেকলেসটি স্পর্শ করা হয়নি। এ কাজের সঙ্গে যুক্ত দলটি জানায়, চুক্তি অনুযায়ী টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রত্নবস্তু অপসারণে বিধিনিষেধ রয়েছে।

ম্যাগেলানের পক্ষ থেকে বলা হয়, ডুবে যাওয়ার সময় টাইটানিকে ২,২০০ জন যাত্রী ছিলেন। নেকলেসটির প্রকৃত মালিককে শনাক্তে তারা এসব যাত্রীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করবে। প্রকল্পটির অংশ হিসেবে টাইটানিকের যাত্রীদের ফুটেজ, বিশেষ করে তাদের মুখমণ্ডল, জাহাজে ওঠার সময় পরনের পরিহিত পোশাক বিশ্লেষণ করা হবে বলেও জানায় তারা।

টাইটানিকের পুরো ধ্বংসাবশেষের ছবি তৈরিতে ম্যাগেলান ও আটলান্টিক প্রোডাকশন গেল বছর স্ক্যানিংয়ের কাজটি করে। তারা পুরো প্রকল্পটি নিয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করছে। দূরনিয়ন্ত্রিতভাবে ডুবোযানের মাধ্যমে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সঠিক উপায় ত্রিমাত্রিক পুনর্গঠন তৈরি করতে ধ্বংসাবশেষের প্রতিটি কোণ থেকে ৭ লাখের বেশি ছবি নেওয়া হয়।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩,১২৩ ফুট গভীরে উত্তর আটলান্টিকের তলদেশে টাইটানিক জাহাজটির ধ্বংসাবশেষের অবস্থান। জায়গাটি কানাডা উপকূল থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ১৯৬৫ সালে প্রথমবারের মতো ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়ার থেকেই সেটিকে ঘিরে ব্যাপক অনুসন্ধান ও গবেষণা চলছে।

   

About

Popular Links

x