শীতে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এই সময়টাতে ডায়াবেটিস রোগীদের সমস্যা আরও গুরুতর হয়। দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের মতো রোগের কারণে ত্বক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক থেকে পানির পরিমাণ বেশ কমে যায়। ঠাণ্ডার কারণে পানি পানও করা হয় কম। ত্বকে শুষ্কতার ছাপ সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে মুখে। জেল্লা হারিয়ে যায়, ত্বকে জ্বালাভাব শুরু হয়। বাজারের নামিদামি প্রসাধনীতেও রক্ষা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
এই সমস্যার সমাধান দিতে পারে পানি। নিয়মিত গরম পানির ভাপ ফুসফুসের সংক্রমণ রোধের পাশাপাশি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাও দূর করে। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কেন ভাপ নেওয়া জরুরি তা দেখে নিন।
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে: শীতে ত্বক আর্দ্র রাখা অত্যন্ত জরুরি। স্টিমিং থেরাপি ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে কার্যকর। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে ফেস স্টিমিং করলে তা ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে। এতে ত্বক নরম ও কোমল দেখায়।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়: স্টিমিং থেরাপি মুখের ত্বকের রন্ধ্রগুলো খুলে দেয়। পাশাপাশি দূর করে মৃত কোষ ও ময়লা। নিয়মিত গরম পানির ভাপ নিলে ব্ল্যাকহেডস বা হোয়াইটহেডস নরম হয়ে যায়, ফলে সেগুলো সহজে ত্বক থেকে নির্মূল করা যায়।

রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে: শীতে ত্বক নিস্তেজ হয়ে পড়ে। ক্লান্ত দেখায়। ত্বকের ক্লান্তি ভাব দূর করতে স্টিম থেরাপিতে আস্থা রাখতে পারেন। এতে মুখের রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক হয়। অক্সিজেন সরবরাহ ভালো হওয়ায় ত্বকে জেল্লা ফুটে ওঠে।
ত্বকে বয়সের ছাপ ঠেকায়: বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের চামড়া কুঁচকে যেতে শুরু করে। অনেকের আবার অল্প বয়সেই মুখে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। নিয়মিত ভাপ নিলে ত্বকে কোলাজেন ও এলাস্টিনের উৎপাদন বাড়ে। এই উপাদানগুলো ত্বককে মসৃণ ও টানটান রাখতে সাহায্য করে।
ব্রণের হাত থেকে মুক্তি: ব্রণের সমস্যা থাকলে গরম পানিতে নিমপাতা দিয়ে ভাপ নিতে পারেন। গরম পানিতে এক চামচ হলুদ মিশিয়ে ভাপ নিলেই ফিরে পেতে পারেন হারানো জেল্লা।



