সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
বুধবার (১ জানুয়ারি) রাতে মুরাদনগর উপজেলার ডিআর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শোকরানা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকা নেতাকর্মীদের দ্রুত মুক্তি দাবি করে তিনি বলেন, নিরপরাধীদের মুক্তি দেওয়াটাও বর্তমান সরকারের একটা ভাল কাজ হবে। কেউ কেউ এখনও ফ্যাসিবাদ সরকারের মতো আচরণ করছে! নিজের পছন্দ মতো ইউএনও, ওসি, এসপি আনেন।”
সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “জালিম সরকার বিদায় নিয়েছে তবে এখনও কেন অনেক ইউএনও, ওসি কথা বলতে ভয় পান। আপনারা কেন ভয় পান, আপনাদের সমস্যা কোথায় প্রকাশ করুন। আপনাদের অফিসে যারা যাবে হাসি মুখে তাদের গ্রহণ করবেন এবং কথা বলবেন। জনগণের লক্ষ্যের ওপরে চিন্তা করে প্রশাসনকে চলতে হবে। যদি এমনটা না করেন তাহলে আপনাদের বিরুদ্ধেও আন্দোলন হবে।”
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামল উদ্দিন ভুঁইয়া ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশার যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কায়কোবাদের ছোট ভাই কেএম মুজিবুল হক, কাজী জুন্নুন বসরী, কাজী শাহ আরেফিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান, যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ তৌফিক মীর, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী প্রচার সম্পাদক মাওলানা গাজী এয়াকুব ওসমানী, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি চৌধুরী রকিবুল হক শিপন, মুরাদনগর উপজেলা হেফাজতে ইসলামের আমির মুফতি আমজাদ হোসাইন, নায়েবে আমীর হাফেজ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন, সদস্য সচিব মোল্লা মুজিবুল হক, যুগ্ম-আহ্বায়ক মোস্তাক আহাম্মেদ, কামাল ভূইয়া, নজরুল ইসলাম, আজিজ মোল্লা ও আমজাদ আলী তছু প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন তিনি। ৫ আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তিনি গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে খালাস পান। গত ২৮ ডিসেম্বর বিদেশ থেকে ঢাকায় আসেন তিনি।



