পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় দুর্বত্তদের হামলায় ছাত্রশিবিরের তিন কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন। অন্যদিকে, ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের দাবি শিবির ও ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া ভূমি অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহত তিনজন হলেন তরিকুল ইসলাম (২৫), রিয়ান (১৬) ও সাইদুল ইসলাম (১৮)। আহত তরিকুল ইসলাম ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তারা তিনজনই ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী।
হামলার বিষয়ে ইন্দুরকানী উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বলেন, “গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাংগঠনিক কার্যক্রম শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে আমাদের তিন কর্মী হামলার শিকার হয়েছেন। ছাত্রলীগের কর্মীরা মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় আমাদের কর্মীদের দেখে তাদের ওপর দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।”
হামলায় আহত সাইদুল ইসলাম বলেন, “তিনজনকে পেয়ে আমাদের ওপর হঠাৎ দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়। তারা এর আগে আমাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল।”
এ বিষয়ে স্থানীয় ছাত্রলীগের বর্তমান নেতা-কর্মীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অনিরুজ্জামান বলেন, “শিবির ও ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু শিবির ছাত্রলীগকে দোষারোপ করছে। ছাত্রলীগের কোনো কর্মী এলাকায় নেই। এ ঘটনার জেরে শিবির ও ছাত্রদল মিলে স্থানীয় দুজন আওয়ামী লীগের কর্মীর বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।”
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, “গতকাল রাতে বালিপাড়ায় একটি হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে মুনেছি। তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ থানায় অভিযোগ করেনি।”



