Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির পর ছয় মাসে অপারেটরটি প্রতিদিন গড়ে ৪০ হাজারের মতো সিম বিক্রি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এছাড়া তারা ৩৫ লাখের মতো গ্রাহক হারিয়েছে

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২৩, ১১:১৭ এএম

মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। অপারেটর প্রতিষ্ঠানটি এখন সিম বিক্রি করতে পারবে।

সোমবার (২ জানুয়ারি) বিটিআরসি সিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে চিঠি দিয়েছে গ্রামীণফোনকে। ফলে গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে আর কোনো বাধা থাকলো না। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেলিকম অপারেটরটির হেড অব কমিউনিকেশন খায়রুল বাসার।

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, “সিম বিক্রির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের নোটিশ আমরা পেয়েছি।”

মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির পর ছয় মাসে অপারেটরটি প্রতিদিন গড়ে ৪০ হাজারের মতো সিম বিক্রি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এছাড়া তারা ৩৫ লাখের মতো গ্রাহক হারিয়েছে।

“সেবার মান খারাপ” অভিযোগ তুলে বিটিআরসি গত ২৯ জুন গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। সংস্থাটির হিসাবে, গত অক্টোবর মাস শেষে গ্রামীণফোনের সক্রিয় সিমসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ১৪ লাখের কিছু বেশি, যা গত মে মাসের তুলনায় প্রায় ৩৫ লাখ কম। নতুন সিম বিক্রি করতে না পারলে অপারেটরগুলোর গ্রাহক কমে। কারণ, সাধারণত সক্রিয় কিছু সিম নিয়মিত নিষ্ক্রিয় হয়।

গ্রামীণফোন এখন দাবি করেছে, তারা সেবার মান (কোয়ালিটি অব সার্ভিস) বাড়াতে করণীয় সব করেছে। সবশেষ নিলামে তরঙ্গ (স্পেক্ট্রাম) কিনে তা নেটওয়ার্কে সংযোজন, নতুন নতুন টাওয়ার নির্মাণ, টাওয়ারগুলো অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল দিয়ে সংযুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে গ্রামীণফোনের সেবার মান বেড়েছে। সেবার মান বেড়েছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য গ্রামীণফোন চিঠি দিয়েছিল বিটিআরসিকে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় বলে জানা গেছে।

   

About

Popular Links

x