Wednesday, September 02, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঢাকা-আশুলিয়া উড়ালসড়কের দুই সার্ভিস সেতু খুললো

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া সার্ভিস লেনে যান চলাচল শুরু

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পিএম

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। দুই লেনবিশিষ্ট প্রতিটি সেতুর দৈর্ঘ্য ৩.১৭ কিলোমিটার।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে আশুলিয়ার ধউর এলাকায় ফিতা কেটে সেতু দুটির উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম। পরে যান চলাচলের জন্য সড়কটি খুলে দেওয়া হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশের দীর্ঘতম উড়ালসড়ক ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে প্রকল্পটির কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় একাংশ খুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিএমসি প্রেসিডেন্ট কিউ আই ইয়ি এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বক্তব্য দেন।

এ সময় ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু এবং ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ খুলে দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বলেন, “আশুলিয়াবাসীর দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের প্রকল্প এটি। এখানে অনেক কারখানা, জনসাধারণের চলাচলে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। আজকে সেতু চালুর মধ্য দিয়ে সেই ভোগান্তি কমবে। সবাই এর উপকার ভোগ করবে।”

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ চালু হওয়ায় যানবাহনের চালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। তারা বলছেন, সড়কটি চালু হওয়ায় আশুলিয়া এলাকায় যানজট ও যাতায়াতের ভোগান্তি কমবে বলে তারা আশা করছেন।

সাইফুল ইসলাম নামে এক পিকআপ চালক বলেন, “আগে রাস্তায় অনেক যানজট ছিল। এখন কমে যাবে। অনেক ভালো লাগছে। এখন দ্রুত যেতে পারবো।”

আশুলিয়া এলাকার বাসিন্দা দীপংকর দাস বলেন, “আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে অবশেষে চালু হয়েছে। এত দিন অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। আশা করছি, এখন যানজট থেকে অনেকটা রক্ষা পাবো।”

বাবুল হোসেন নামে সড়কে চলাচলরত এক পথচারী বলেন, “যানজট নিরসনে এক্সপ্রেসওয়ে অনেক ভূমিকা রাখবে। উত্তরা থেকে আশুলিয়া আসতে প্রচুর ভোগান্তি হতো। এখন আর ভুগতে হবে না আশা করছি।”

তুরাগ পারাপারে টোল লাগবে না

তুরাগ নদের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে আশুলিয়া বাজার থেকে ধউর বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বিদ্যমান সড়কটি আর রাখা হচ্ছে না। ফলে নতুন সার্ভিস লেন ব্যবহার করে টোল ছাড়াই তুরাগ নদ পার হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তুরাগ নদের পানিপ্রবাহ নির্বিঘ্ন রাখতে আজ ২.৭২ কিলোমিটার সেতু খুলে দেওয়া হয়েছে বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

   

About

Popular Links

x