রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী (৬০) হত্যা মামলায় জেএমবির কমান্ডারসহ ৫ আসামিকে খালাস এবং ২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলো- জেএমবির কমান্ডার মাসুদ রানা ও লিটন মিয়া।
খালাস পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন- জেএমবি সদস্য ইছাহাক আলী (৩৪), সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল (৩০), সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান (৩০), উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি (৩০) ও চান্দু মিয়া (২০)।
এর আগে, ২০১৮ সালে রংপুরে মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। একইসঙ্গে ৬ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছিল। রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার এ রায় দেন।
হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ আসামিরা হলো- জেএমবি’র রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী (৩৩), সদস্য ইছাহাক আলী (৩৪), লিটন মিয়া ওরফে রফিক (৩২), সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল (৩০), সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান (৩০), উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি (৩০), চান্দু মিয়া (২০)।
খালাস পাওয়া ৬ জন হলো- জেএমবি’র সদস্য আবু সাঈদ (৩০), তৌফিকুল ইসলাম সবুজ (৩৫), সাদাত ওরফে রতন মিয়া (২৩), জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজিব গান্ধী (২৬), বাবুল আখতার ওরফে বাবুল মাস্টার (৩৫) ও রাজিবুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাদল ওরফে বাঁধন (২৫)।
১৩ জন আসামির মধ্যে দুজন পলাতক।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার সময় রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন ১১ নভেম্বর তার ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।



