Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সড়কপথে বিচ্ছিন্ন বান্দরবান, পাহাড়ধসে দুইজনের মৃত্যু

দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৩, ০৫:২৩ পিএম

টানা ছয় দিনের ভারি বর্ষণে বান্দরবান সদরের ৬০% এবং লামা উপজেলায় শতভাগ এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এতে বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর এ ঘটনায় এক বিদেশি নাগরিকসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন শতাধিক।

জেলার ২০৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে নয় হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন, সেখানে প্রশাসন থেকে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

জেলায় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করছে।

এদিকে বান্দরবানের খাদ্যসামগ্রীর দাম দ্বিগুণ বেড়েছে, তবে এ বিষয়ে বান্দরবান বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি বিমল কান্তি দাশ ঢাকা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, খাদ্যদ্রব্যের সংকট না থাকলেও বাজারে ডিম ও মোমবাতির সংকট দেখা দিয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানায়, পাহাড় ধসে আলীকদম উপজেলায় একজন ও নাইক্ষ্যংছড়িতে একজন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। তবে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি জেলা প্রশাসক শাহ্‌ মোজাহিদ উদ্দিন।

বান্দরবান-বন্যা

তিনি ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্রে কাজ করছে মেডিকেল টিম।”

ডিসি আরও বলেন, “বান্দরবান সদরের থেকে লামা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা পরিষদ, খাদ্যগুদাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। দুর্যোগকবলিত মানুষের জন্য ৮৫ মেট্রিক টন চাল, ত্রাণ ও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। অতি দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হবে।”

   

About

Popular Links

x