Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

২০৫০ সালের মধ্যে দেশের অর্ধেক মানুষ পাবে বৈদ্যুতিক গাড়ির সুবিধা

২০৫০ সালের মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির ৪০% এবং বাস ও ট্রাকের ১০% বৈদ্যুতিক করার চিন্তা করছে সরকার

আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৪:৫৯ পিএম

দুই যুগের মধ্যে দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষকে বৈদ্যুতিক গাড়ি সুবিধার মধ্যে আনতে পরিকল্পনা সাজিয়েছে সরকার। এর ফলে জ্বালানি ব্যবহারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে আর সাশ্রয় হবে বিপুল পরিমাণ অর্থ।

“ইন্টিগ্রেটেড এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার মাস্টারপ্ল্যান ২০২৩” অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের ৫০ ভাগ মানুষকে বৈদ্যুতিক গাড়ি সুবধিার আওতায় আনা হবে।

সরকার সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে শুরু করেছে। বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের জন্য চার্জিং স্টেশন তৈরি করেছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো)। ক্রমান্বয়ে অন্য বিনিয়োগকারীরা এই উদ্যোগে যুক্ত হলে এটি বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাওসার আমির আলি জানিয়েছেন, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে পর্যায়ক্রমে চার্জিং স্টেশনের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

ইন্টিগ্রেটেড এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার মাস্টারপ্ল্যানে দেখানো হয়েছে, দেশের ৪৮% জ্বালানি ব্যবহার হয় ঘরের কাজে। এই জ্বালানির অন্তত ৫৫% বায়োমাস (জৈববস্তু)। কাঠ থেকে সাধারণ মানুষ এই জ্বালানির সংস্থান করেন। এর বাইরে ২৬% প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ১৯% বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়। বায়োমাসের জায়গা দ্রুত দখল করছে এলপিজি। দেশের ২৯% জ্বালানি ব্যবহার হয় শিল্প খাতে। এরমধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস ৪৫%; কয়লা ৪২ ও বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় ১২%।

দেশে এখনো ইজিবাইক ও ব্যাটারি রিকশা ছাড়া অন্যকোনো বৈদ্যুতিক যানবাহন নেই। ২০৫০ সালের মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির ৪০% এবং বাস ও ট্রাকের ১০% বৈদ্যুতিক করার চিন্তা করছে সরকার।

সম্প্রতি ঢাকা উত্তর সিটি বৈদ্যুতিক বাস আমদানির ওপর জোর দিয়েছে। এখন বাজারে এমন বাস রয়েছে যেগুলো একবার চার্জ দিলে ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে। আবার ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রেও ৩০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব।

বৈদ্যুতিক গাড়ির আওতায় বিশাল জনগোষ্ঠীকে আনা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, “আমরা ‘ইন্টিগ্রেটেড এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার মাস্টারপ্ল্যান’ প্রণয়নে কীভাবে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয় সম্ভব তার ওপর জোর দিয়েছি। এখন সবারই প্রধান চিন্তার বিষয় জ্বালানির দর।  বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রচলন শুরু হলে ডিজেল ও অকটেন আমদানি কমবে। সে ক্ষেত্রে বড় রকমের আর্থিক সাশ্রয় হবে।”

About

Popular Links