সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৬৫ বছর বয়সী এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন ওই নারীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে পুলিশ ওই নারীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় শাহবাগ থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মঙ্গলবার একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী সাহায্য সংগ্রহ করতে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসেছিলেন। কয়েকদিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সাহায্য সংগ্রহ করেছেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের রমনা কালি মন্দির এলাকায় সাহায্য সংগ্রহের জন্য আসেন। শনিবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে পানি পান করতে মন্দিরের প্রধান ফটকের সামনে যান। সেখানে অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন্য তাকে সাহায্য করার নাম করে কালি মন্দিরের পাশে গ্লাস টাওয়ারের দক্ষিণ পাশে ভাবনার ছাতা এর নিচে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ওই ব্যক্তিরা গণধর্ষণ করে।
ওই নারীকে উদ্ধার করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইমু ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ছবির হাট এলাকা থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করেছি। সে অচেতন ছিল এবং আমরা তার শরীরে মারধরের চিহ্ন দেখেছি। সে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারছিল না। তাকে উদ্ধার করার পর আমরা তাকে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি।”
শাহবাগ থানার একটি সূত্র এই প্রতিবেদকে জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর শরীরে চিহ্ন দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে।



