Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ক্রীড়া অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানের সঙ্গে স্কুলছাত্রীর নৃত্য, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

‘সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে এক ছাত্রী তার নিজের মোবাইল ফোনে ওই গান বাজিয়ে নৃত্য শুরু করে’

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৮:৫৯ পিএম

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে “জয় বাংলা বাংলার জয়, জয় বাঙালির জয়” গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করছে এক ছাত্রী। ওই নাচের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। “অসঙ্গতিপূর্ণ গানে নৃত্য পরিবেশন করায়” দেওয়ালী বথুনদিয়া পাঁচুরিয়া (ডিবিপি) উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ রিজাউল ইসলামকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, দেওয়ালী বথুনদিয়া পাঁচুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান চলাকালে ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ গানে নৃত্য পরিবেশন করা হয়, যা ছাত্র-জনতার বিপ্লবকে হতাশ করেছে। এই কার্যকলাপে কেন প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানাতে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান মঞ্চে সাউন্ড বক্সে বাজছে গান “দে তালি, বাঙালি, আজ নতুন করে স্বপ্ন দেখার দিন। জয় বাংলা বাংলার জয়, জয় বাঙালির জয়”। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে এ গানের সঙ্গে মঞ্চে নৃত্য করছে এক ছাত্রী।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী এজাজ কায়সার বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারি বেলা দেড়টা থেকে সোয়া ২টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমি উপস্থিত ছিলাম। সোয়া ২টার দিকে জরুরি কাজ থাকায় চলে আসার পর বেলা ৩টার দিকে সাউন্ড বক্সে ওই গানের সঙ্গে এক ছাত্রী নৃত্য পরিবেশন করে বলে জানতে পারি। যার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারি বেলা ৩টার দিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে এক ছাত্রী তার নিজের মোবাইল ফোনে ওই গান বাজিয়ে নৃত্য শুরু করে। এ সময় বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক অনুষ্ঠান পরিচালনা করছিলেন। আমি সে সময় বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ছিলাম। গান বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মঞ্চে থাকা ওই শিক্ষক দ্রুত গান বন্ধ করে দেন।”

   

About

Popular Links

x