চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে চবির মূল ফটকে তালা দিয়ে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ১০ ঘণ্টা ধরে তালা ঝুললেও এখনও কোনো সমাধানে আসতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এদিন পায়ে হেঁটে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলতে দেখা গেছে। শহর থেকে শিক্ষক বাস ও শাটল ট্রেন সঠিক সময়ে ক্যাম্পাসের উদ্দেশে ছেড়ে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ফটকের সামনে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন।
এর আগে, সোমবার (১৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলক্রসিং এলাকায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটে। এরপর মধ্যরাত দেড়টায় প্রধান ফটকে তালা দেয় শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ করে জানান, স্থানীয়রা শিক্ষার্থীদের ওপর বারবার হামলা করছে। অথচ এর কোনো সমাধান নেই। এর স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মূল ফটকের তালা খোলা হবে না।
রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুলতানুল আরেফিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমি রেলক্রসিংয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। এ সময় একটা সিএনজি অটোরিকশা আমার পায়ের ওপর দিয়ে চলে যায়। তখন চালকের সঙ্গে আমার বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর বাইরে থেকে কিছু ছেলে এসে আমার বাইকের সামনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় লেখা দেখেই গালাগালি ও মারধর শুরু করে।”
সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্থানীয়দের দ্বারা বারবার হামলার শিকার হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা চায় সিএনজি অটোরিকশা চালকদের এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চক্রাকার বাস চালু করা হোক। এছাড়া হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হোক। আমি তাদের গেট খুলে দেওয়ার জন্য বলেছি। কিন্তু তারা চাইছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অথরিটির কাছ থেকে আশ্বাস পেতে।”



