Tuesday, June 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কোরবানির পশু কেনার পর যত্ন নেবেন যেভাবে

পশুটি কেনার পর সম্পূর্ণ দায়িত্ব আপনার ওপর। কোরবানির আগ পর্যন্ত ঠিকঠাক খাবার না দিলে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে আপনার কোরবানির পশুটি

আপডেট : ১১ জুন ২০২৪, ০১:৪৬ পিএম

আর মাত্র কিছুদিন পর ঈদ-উল-আজহা। সামর্থ্যবান মুসলমানরা কোরবানি দেবেন। কেউ পশু কিনবেন। কেউবা ইতোমধ্যে কিনে ফেলেছেন। পশু কেনার পর ঈদের আগ পর্যন্ত পশুটির সঠিক যত্ন নিতে হয়, ঠিকঠাক খাবার দিতে হয়। অন্যথায় অসুস্থ হয়ে যেতে পারে আপনার কোরবানির পশুটি। চলুন জেনে নেওয়া যাক পশুর কেমন যত্ন নেওয়া উচিত।

গরুর যত্ন

- কোরবানির গরু কেনার পর সম্পূর্ণ দায়িত্ব আপনার। হাট থেকে আপনার বাসার দূরত্ব যদি বেশি হয়, তাহলে গরুটিকে হাঁটিয়ে না এনে পিকআপ ভ্যানে করে আনতে পারেন। এতে গরুর কষ্ট কম হবে। আবার অনেক সময় গরু হাঁটিয়ে আনতে গিয়ে দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটে, এসব ঝামেলা থেকেও পাবেন মুক্তি।

- কেনার সময় খামারির কাছ থেকে গরুটির খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিতে হবে। সম্ভব হলে পশু কেনার পর পরই হাট থেকে তার পছন্দের খাবার কিনে ফেলতে হবে। ফলে রাস্তায় আর গরুটিকে অভুক্ত থাকতে হবে না।

- বাড়িতে আনার পর পশু খাবার খেতে চায় না। তাই পশুটির খাবারের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করুন। জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করা যাবে না। আদর করে খাওয়াতে হবে।

- দূর থেকে আনা পশুকে সবার আগে পরিষ্কার করে নিন। দরকার হলে গোসল করিয়ে নিতে পারেন। মুখ ডোবাতে পারে এমন পাত্রে পরিষ্কার পানি দিন। পশুরা অনেক সময় ঠান্ডা পানি পান করতে চায় না। কুসুম গরম পানির সঙ্গে অল্প লবণ মিশিয়ে দিন।

- কোরবানির পশুকে পরিচ্ছন্ন জায়গায় রাখতে হবে। জায়গাটি যেন শান্ত-শীতল হয় সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। স্যাঁতসেঁতে, অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা পরিবেশে রাখা যাবে না। প্রতিদিন গোবর, উচ্ছিষ্ট খাদ্য, চেনা ইত্যাদি পরিষ্কারের ব্যবস্থা করতে হবে। পরিবেশ যেন কোনোভাবেই দূষিত না হয়।

- ঈদের দিন সকালে পশুকে গোসল করাতে হবে। যাতে গায়ে লেগে থাকা ময়লা-গোবর ইত্যাদি পরিষ্কার হয়ে যায়।

ছাগলের যত্ন

কোরবানির আগে ছাগলের খাবারের ব্যাপারে সচেতন থাকাটা খুবই জরুরি। কারণ ছাগল যা পায় তাই খায়। অনেকে ছাগলের সামনে বারবার খাবার দিয়ে রাখেন। বেশি খেয়ে ছাগল অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। যা ছাগলের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

- হাটের বিক্রেতার কাছ থেকে ছাগলের খাবার সম্পর্কে জেনে নিন।

- যেকোনো দানাদার খাদ্য (ভাত, চাল, গম) বেশি পরিমাণে খেলে ছাগলের হজমে সমস্যা হতে পারে। ফলে দানাদার খাবারের চেয়ে বেশি করে ঘাস খাওয়াতে হবে।

- দিনে ৩-৪ বার পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানি খেতে দিতে হবে।

- কাঁঠাল পাতায় বেশি পরিমাণে ফসফরাস থাকায় খুব অল্প পরিমাণে পাতা খাওয়াতে হবে।

- বাসি ও পচা খাবারে দ্রুত গ্যাস তৈরি হয়। তাই এগুলো ছাগলকে দেয়া থেকে বিরত রাখতে হবে।

About

Popular Links