স্ব-নিযুক্ত পেশা বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে স্বাধীনতা এবং উদ্যোগী দৃষ্টিভঙ্গি। কিন্তু এর সঙ্গে যখন নিজের সবচেয়ে ভালো লাগা কাজটি যুক্ত হয় তখন সেখানে তৈরি হয় সৃজনশীলতা ও নির্ভরতার জায়গা। ঠিক এমনি একটি কাজ, শখ বা যোগ্যতার নাম ফটোগ্রাফি। বর্তমান বিশ্বে যখন সর্বত্র দৃশ্যমান কন্টেন্টের জয়জয়কার, তখন ফটোগ্রাফি একটি আকর্ষণীয় ও নির্ভরযোগ্য ক্যারিয়ারের নামান্তর। প্রযুক্তির ক্রমবিকাশে কর্মশালা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অনলাইন থেকেও শেখা যাচ্ছে ফটোগ্রাফি।
চলুন, স্ব-নিযুক্ত স্মল বিজনেসের জন্য এই দক্ষতা অর্জনের উপায় এবং এর গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক।
ফটোগ্রাফি শেখার প্রয়োজনীয়তা
কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে ফ্রেমবন্দি করার প্রতি ভালো লাগার অনুভূতিকে চূড়ান্তভাবে একটি সফল পেশায় রূপান্তর করার প্রথম শর্তই হলো ফটোগ্রাফি শিক্ষা। বর্তমান বিশ্বের শিল্প জগতের একটা বিরাট অংশ হচ্ছে স্থির চিত্র বা ছবি। বিনোদন, গবেষণা, এবং বিপণন; প্রতিটি ক্ষেত্রেই ফিচার ছবি ছাড়া যেন অপূর্ণই থেকে যায় কন্টেন্টটি। এমনকি ওয়েব দুনিয়ার শীর্ষস্থানীয় কন্টেন্ট ভিডিওরও গোড়াপত্তনটা হয় ক্যামেরা থেকেই।
তাছাড়া একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ও পোর্টফোলির জন্য প্রয়োজন হয় উচ্চ-মানের ছবি। এক্ষেত্রে গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য দরকার পড়ে ছবির কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তুর উপর আলোকসজ্জা ও কম্পোজিশনের সামঞ্জস্যতা। এর জন্য সঠিক ক্যামেরা সেটিংটি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারিগরি দিকের বাইরেও বিকাশ ঘটাতে হয় শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গির। এটি প্রকাশ পায় মূলত ছবির মাধ্যমে প্রকাশিত বার্তার মাধ্যমে। এই সবগুলো বিষয় সম্মিলিতভাবে পর্যায়ক্রমিক ফটোগ্রাফি শিক্ষার দিকে ধাবিত করে।
ফটোগ্রাফির বিভিন্ন ধরণ
ছবি তোলার কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে ভিন্ন রকম হয়ে থাকে ফটোগ্রাফির শ্রেণি বিভাজন। সেই সঙ্গে ফটোগ্রাফি-ভিত্তিক ব্যবসার উদ্দিষ্ট গ্রাহকও বদলে যায়। যেমন ইভেন্ট ফটোগ্রাফিতে কর্পোরেট পার্টি এবং বিয়ে বা বার্ষিকীর মতো বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানের ছবি তোলা হয়। পণ্য এবং বাণিজ্যিক ফটোগ্রাফির মূল বিষয় থাকে বিজ্ঞাপন, ক্যাটালগ এবং ওয়েবসাইটের ছবি। ব্যক্তিগত, পারিবারিক বা পেশাগত প্রোফাইল তৈরির জন্য প্রাধান্য পায় পোর্ট্রেইট ফটোগ্রাফি। দুর্লভ বা বিশেষ বন্যপ্রাণীর চমকপ্রদ উপস্থিতি থাকে ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফির কেন্দ্রবিন্দু। ঠিক তেমনি ফুড ফটোগ্রাফির সেশনগুলো থাকে বিভিন্ন ফলমূল, তৈরি খাবার বা খাবারের রেসিপি নিয়ে।
কারা ফটোগ্রাফি শিখতে পারেন
এই সৃজনশীল কাজটি প্রাথমিকভাবে স্থির চিত্রের মাধ্যমে জীবনকে তুলে ধরার শখ বা আবেগের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই অনুভূতি যারা লালন করেন তারা ফটোগ্রাফিকে তাদের প্রধান পেশা অথবা অন্য কাজের সহায়ক পেশা হিসেবে নিতে পারেন। এছাড়া জীবনের নানা অঙ্গনের প্রতি ভালো লাগার ভিত্তিতে এই পেশাকে আরও সংকীর্ণ করে নিয়ে আসা যায়। যেমন যারা নিয়ত সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানের মাঝে থাকতে পছন্দ করেন তাদের জন্য উপযুক্ত হচ্ছে ইভেন্ট ফটোগ্রাফি। এগুলোর মধ্যে সব থেকে চাহিদা সম্পন্ন হচ্ছে ওয়েডিং ফটোগ্রাফি।
যাদের বাহারি রকমের খাবারের প্রতি টান আছে, তাদের জন্য ফুড ফটোগ্রাফি। ভ্রমণপিপাসুদের জন্য ট্রাভেল বা ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি, যার একটা বিরাট ক্ষেত্র হচ্ছে ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফি। এছাড়াও ফ্যাশন, বাণিজ্যিক পণ্য এবং স্থাপনাকে কেন্দ্র করেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগ্রহীরা ফটোগ্রাফার হতে পারেন।
ফটোগ্রাফির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
একাডেমিক শিক্ষার যেকোনো বিষয়ের মতো ফটোগ্রাফিরও রয়েছে ব্যাপকতা। তাই এই দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন। মূলত এই বিষয়গুলোর মাধ্যমে ফটোগ্রাফি প্রশিক্ষকের নির্দেশনাগুলো যাচাই করা যাবে। সেই সঙ্গে শিক্ষানবিশ সঠিক তালিম-ই পাচ্ছেন কিনা- সে ব্যাপারেও নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ফটোগ্রাফির কারিগরি দক্ষতা এবং শৈল্পিকতা এর বেশ কয়েকটি উপাদানের উপর নির্ভরশীল। এগুলো হচ্ছে ক্যামেরার অ্যাপারচার, শাটার স্পিড, আইএসও। এই বিষয়গুলো মূলত যে ব্যক্তি বা বস্তুকে ক্যামেরার ফ্রেমবন্দি করা হচ্ছে তার চারপাশের আলো ও অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণ করে। এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ক্যামেরার লেন্স। কোন ধরণের ছবি তোলার জন্য কোন ধরণের লেন্স উপযোগী তা জানাটা আবশ্যিক। এই কারিগরি ব্যাপারগুলোতে যতটা অভ্যস্ত হওয়া যাবে, ক্যামেরাকে ততটাই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা যাবে।
এছাড়া ছবি তোলার পরবর্তীও বেশ কিছু কাজ রয়েছে, যার জন্য প্রয়োজন হয় এডিটিং সফটওয়্যারের। ফটো ইডিটিং-এর জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলো হচ্ছে অ্যাডোবি ফটোশপ এবং লাইটরুম।
ফটোগ্রাফি কোথায় শিখবেন

অনলাইন মাধ্যম
লাইভ ক্লাস বা আগে থেকে রেকর্ড করা টিউটোরিয়াল ভিডিওগুলো বর্তমানে কোনো স্কিল শেখার জনপ্রিয় মাধ্যম। বাংলাদেশে বেশ কিছু ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে যারা এই অনলাইন সেবাগুলো দিয়ে থাকে। তন্মধ্যে ঘুড়ি লার্নিং-এর “লার্ন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি ফর বিজনেস” কোর্সটি স্বল্প সময়ে বিশদ জ্ঞান লাভের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উপযোগী। কোর্সটির প্রশিক্ষক বাংলাদেশের স্বনামধন্য ওয়েডিং ফটোগ্রাফার নাফিস ফুয়াদ শুভ।
যারা একদম নতুন, তাদের ফটোগ্রাফির জগতে প্রবেশের সেরা উপায় হতে পারে টেন মিনিটস স্কুলের বেসিক ফটোগ্রাফি কোর্সটি। এখানে প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন দেশের সুপরিচিত ওয়েডিং ফটোগ্রাফার প্রীত রেজা। এছাড়া “মোবাইল ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফি” শিরোনামের ফ্রি কোর্সটিতে মিলবে দারুণ কিছু টিপস অ্যান্ড ট্রিকস।
ফটোগ্রাফির খুঁটিনাটি নিয়ে বিশদ জ্ঞান লাভের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট হতে পারে বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ইউডেমি। কারিগরি দিক এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ কেস স্টাডির ক্ষেত্রে এখানকার ফ্রি কোর্সগুলোই যথেষ্ট সমৃদ্ধ। সর্বাধিক রেটিংপ্রাপ্ত কন্টেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জিওগ্রাফি ফটোগ্রাফার ক্রিস ব্রে-এর “ইন্ট্রোডাক্টরি ফটোগ্রাফি কোর্স”। প্রথম সারির আরও একটি কোর্স হচ্ছে ওয়েডিং ফটো ও ভিডিওগ্রাফির জেরাড হিলের “ফটোগ্রাফি: ডিচ অটো - স্টার্ট শুটিং ইন ম্যানুয়াল”।
ধারাবাহিকভাবে সাজানো-গোছানো না হলেও ফ্রি রিসোর্সের ক্ষেত্রে বেশ আকর্ষণীয় প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ইউটিউব। এখানে ফটোগ্রাফারদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলটি হলো “ম্যাঙ্গো স্ট্রিট”। ফটোগ্রাফার দম্পতি র্যাচেল গুলোটা ও ড্যানিয়েল ইনস্কিপ পরিচালিত এই চ্যানেলের ভিডিওগুলো বেশ ছোট। ফলে নিত্য-নতুন টিপস এবং কৌশলগুলো খুব সহজেই দর্শকরা গ্রহণ করতে পারেন।
স্ট্রীট ফটোগ্রাফিতে আগ্রহ থাকলে দেখা যেতে পারে ব্রিটিশ ফটোগ্রাফার অ্যালান শ্যালার ইউটিউব চ্যানেলটি। ফুড ফটোগ্রাফিতে সেরা চ্যানেল হচ্ছে জোয়ানি সাইমনের ‘দ্যা বাইট শট’। অন্যদিকে, ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি শেখার জনপ্রিয় চ্যানেলগুলোর মধ্যে রয়েছে “নাইজেল ড্যানসন” এবং টেড ফোর্ব্সের “আর্ট অব ফটোগ্রাফি”।
অফলাইন মাধ্যম
ফটোগ্রাফিতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য দেশ জুড়ে রয়েছে বেশ কিছু প্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যাপকভাবে সমাদৃত সংগঠন পাঠশালা। এখানে দীর্ঘ মেয়াদি একাডেমিক প্রোগ্রামের পাশাপাশি রয়েছে কয়েকটি স্বল্প মেয়াদি কোর্স। এছাড়া বিভিন্ন উপলক্ষে প্রায়ই এখানে ফটোগ্রাফারদের নিয়ে ওয়ার্কশপ ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়ে থাকে।
একই ধরণের আরেকটি প্রতিষ্ঠান কাউন্টার ফটো, যেটি মূলত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। এখানে ফটোগ্রাফির ওপর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি বা প্রফেশনাল ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ রয়েছে। অফলাইন প্রোগ্রামের পাশাপাশি “বেসিক অব ফটোগ্রাফি” নামে কাউন্টার ফটোর একটি অনলাইন কোর্স রয়েছে।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে পেশাজীবীদের পাশাপাশি নতুন ফটোগ্রাফারদের জন্য ৪ সপ্তাহব্যাপী ডিজিটাল ফটোগ্রাফি কোর্স রয়েছে।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফিক সোসাইটির তিন মাসব্যাপী ফটোগ্রাফি প্রশিক্ষণটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের শিক্ষার্থীরাও অংশ নিতে পারে। এছাড়া ফটোগ্রাফির ওপর স্বল্পকালীন প্রোগ্রাম আয়োজকদের মধ্যে আরও রয়েছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজম, বাংলাদেশ ফটোগ্রাফি সোসাইটি, এবং ছায়া ইনস্টিটিউট কমিউনিকেশন অব ফটোগ্রাফি।
মোবাইল ফোন ফটোগ্রাফি শেখার পদ্ধতি
সময়ের বিবর্তনে ফটোগ্রাফি জগতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি হলো হাতের মুঠোফোন দিয়ে ফটোগ্রাফি করার সুযোগ। অতিকায় ডিজিটাল ক্যামেরার মতো গুণগত মানসম্পন্ন লেন্সগুলোর সন্নিবেশ এখন স্মার্টফোনেই পাওয়া যাচ্ছে। আর এর দৌলতেই বিগত কয়েক দশকজুড়ে হাল ফ্যাশনের মধ্যমণিতে পরিণত হয়েছে মোবাইল ফটোগ্রাফি। শাটার স্পিড, আইএসও এবং অ্যাপারচারের মতো কারিগরি দিকগুলো এখানেও আছে। একটি শৈল্পিক ও মানসম্পন্ন ছবির নেপথ্যে এখানেও প্রাধান্য পায় আলোকসজ্জা এবং স্মার্টফোনের ক্যামেরা ধরার এঙ্গেল। শুধু ফটোশ্যুটের জন্য ব্যবহৃত টুলসটা এখানে ভিন্ন।
সহজলভ্য হওয়ায় হাতের স্মার্টফোনটি ব্যবহার করেই তরুণরা নিজেদের ফটোগ্রাফি দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে। তাদের এই প্রচেষ্টায় সহায়ক হচ্ছে দারুণ কিছু অ্যাপ। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও রিসোর্স থেকে যথাযথ তালিম নেওয়ার পর চর্চার সময় একনিষ্ঠ গাইড হিসেবে কাজ করছে এই অ্যাপগুলো।
তেমনি একটি অ্যাপ অ্যাডোবি লাইটরুম, যার আইফোন এবং অ্যান্ড্রয়েড দুটো ভার্সন-ই রয়েছে। ফটো ইডিটিং-এর গণ্ডি ছাড়িয়ে এর পর্যায়ক্রমিক টিউটোরিয়ালগুলো নিয়ত পাশে থেকে শিক্ষানবিশ ফটোগ্রাফারদের ভুলগুলো সংশোধন করে দেয়।
জিওগ্রাফি বা ল্যান্ডস্পেক ফটোগ্রাফারদের জন্য আদর্শ অ্যাপ হচ্ছে ফটোপিল্স। আইফোন অথবা অ্যান্ড্রয়েড, যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমেই এটি চালানো যায়।
ডিজিটাল ক্যামেরার সুক্ষ্ম সূক্ষ্ম কারিগরি দিকগুলো সম্পর্কে প্রতিনিয়ত সজাগ থাকতে ব্যবহার করা যেতে পারে ইলিমেন্ট্স অফ ফটোগ্রাফি অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েড কিংবা আইফোন, যেকোনো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ফটোগ্রাফারদের জন্যই এটি একটি নির্ভরযোগ্য লার্নিং টুলস।
শেষাংশ
ফটোগ্রাফি কেন্দ্রিক স্মল বিজনেসের জন্য দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে ডিজিটাল ক্যামেরার কারিগরি দিকগুলোর প্রতি। কোন ব্যবসার জন্য কোন ধরনের ফটোগ্রাফি প্রয়োজন তা সুস্পষ্টভাবে জানা জরুরি। এতে করে ইভেন্ট, পোর্ট্রেইট, বাণিজ্যিক, ভ্রমণ কিংবা জীবনযাত্রাসহ বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগ থেকে উদ্দিষ্ট ব্যবসার জন্য সঠিক ফটোগ্রাফি বাছাই করা যাবে। এক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা সময়োপযোগী অনলাইন টিউটোরিয়ালগুলো। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার জন্য সেরা উপায় হতে পারে অফলাইন ওয়ার্কশপ ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণগুলো। সর্বোপরি, ফটোগ্রাফিকে ব্যবসায়ের একটি মোক্ষম হাতিয়ারে পরিণত করতে শিক্ষালব্ধ জ্ঞানের ধারাবাহিক অনুশীলন এবং সঠিক নেটওয়ার্ক তৈরি অপরিহার্য।



