Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সঙ্গীর দীর্ঘ বার্তার জবাবে শুধুই একটি ইমোজি? ‘ড্রাই টেক্সটিং’ এড়াবেন যেভাবে

এই ধরনের বার্তা পাঠানোর মাধ্যমে ব্যক্তির মনের ভাব বা অভিব্যক্তি কোনোটাই প্রকাশ পায় না। ফলে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৫৬ পিএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন যেন প্রেম চর্চার প্রধান বাহক হিসেবে ধরা দিয়েছে। ৮ থেকে ৮০- সবাই সারাদিন মোবাইল ঘাটাঘাটিতে ব্যস্ত থাকেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অধিক ব্যবহারের ফলে প্রায়ই দেখা যায়, একজন অপরজনের ছবি দেখে প্রেমে পড়ে যান। আবার অনেকেই এক কথা, দুই কথা থেকে কখন যে প্রেমে পড়ে যায় তারা নিজেরাও বুঝতে পারে না। একটা সময় তারা সারাদিন এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে বার্তা প্রেরণ করতে থাকেন। যা দিনরাত চলতে থাকে।

সম্পর্কে মান-অভিমান চলতেই থাকে। সঙ্গীর রাগ ভাঙানোর জন্য দীর্ঘ এক বার্তা লিখে পাঠালে জবাবে শুধু একটি ইমোজি আসে। আর এতেই অপর পাশের ব্যক্তি যেন ক্ষীপ্ত হয়ে যান। ইমোজি দেখেই আপনার মেজাজ যেমন বিগড়ে গেল, তেমনই বুঝতে পারছেন না, এরপর কী রিপ্লাই দেবেন। এই ঘটনার সম্মুখীন হন অনেকেই। এমন অনেক মানুষই রয়েছেন, যারা অন্তর্মুখী। খুব বেশি কথা বলতে পছন্দ করেন না। মেসেজের রিপ্লাইও দেন কম। আবার এমনও কিছু মানুষ আছেন, যারা মেসেজের রিপ্লাই দেন একটা শব্দে, একটা ইমোজিতে কিংবা একটা স্টিকার পাঠিয়ে। এই ধরনের টেক্সট পাঠানো অভ্যাস যাদের, জেন-জিদের ভাষায় তাদের বলা হয় ‘‘ড্রাই টেক্সটার’’।

তরুণ প্রজন্মের অনেকের মধ্যে এই ‘‘ড্রাই টেক্সটার’’ হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। আর যে মানুষ একটু বেশিই কথা বলতে ভালোবাসে, তাদের কাছে এটি একদমই পছন্দ নয়। তা ছাড়া যে কোনো সম্পর্কের মাঝে চিড় ধরাতে পারে ‘‘ড্রাই টেক্সটিং’’। এই ধরনের মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে ব্যক্তির মনের ভাব বা অভিব্যক্তি কোনোটাই প্রকাশ পায় না। ফলে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়। আবার এই ধরনের মেসেজ দেখে মনে হয় ওই ব্যক্তির কাছে আপনার গুরুত্ব নেই। কিংবা ওই ব্যক্তি আপনাকে গোস্টিং করছে।

সম্পর্কে সঙ্গী যদি ‘‘ড্রাই টেক্সটার’’ হন, তাহলে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন? বিশেষজ্ঞদের মতে, মেসেজে কথা বললে অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি হয়। সহজ কথায়, কমিউনিকেশনে শূন্যস্থান থেকে যায়। তার ওপর কেউ যদি ‘‘ড্রাই টেক্সটার’’ হয়, সেখানে তো আরও মুশকিল। তাই এমন মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হলে তাকে সরাসরি কল করে কথা বলে নেবেন। 

আরও ভালো উপায় হলো, সামনাসামনি বসে কথা বলুন। তার ‘‘ড্রাই টেক্সটার’’ হওয়া নিয়ে যে আপনার আপত্তি রয়েছে, সেটাও তাকে জানান। সামনাসামনি বসে কথা বললে ভুল বোঝাবুঝি কম হয়। ‘‘ড্রাই টেক্সটিং’’ এড়ানোর এগুলোই সবচেয়ে সহজ উপায়।

   

About

Popular Links

x