লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫৪ জন দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে আহত হয়েছেন ১,১০০ জনেরও বেশি মানুষ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিমান হামলা চালানো হয়।
এর আগে, গতকালই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। কিন্তু যুদ্ধবিরতি চুক্তির কয়েক ঘণ্টা না যেতেই লেবাননে ভয়াবহ এই হত্যাযজ্ঞ শুরু করে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার এটিকে "পূর্ণমাত্রার যুদ্ধাপরাধ" বলে অভিহিত করেছেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ অভিযানে অংশ নিয়েছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর ৫০টি যুদ্ধবিমান এবং ১০ মিনিটে পুরো লেবাননে ১০০ বারেরও বেশি বোমাবর্ষণ করা হয়েছে।
অধিকাংশ বোমা ফেলা হয়েছে লেবাননের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে। ফলে ধ্বংস ও প্রাণহানির মাত্রা অনেক বেশি।
এএফপি জানিয়েছে, নিহত-আহত এবং তাদের স্বজনদের ভিড়ে রীতিমতো হিমসিম খাচ্ছে বৈরুত ও লেবাননের অন্যান্য এলাকার হাসপাতালগুলো। ধ্বংসস্তূপ আটকা পড়া নিহত এবং আহতদের উদ্ধারের চেষ্টা করছে উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্যরা।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার এক ভিডিও বার্তায় স্পষ্ট বলেছিলেন, "ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি হলেও হিজবুল্লাহর ওপর হামলা থামবে না।" এরপরে লেবাননে এই ভয়াবহ হামলা চালানো হয়।
যুদ্ধবিরতির মধ্যে হামলা হয়েছে ইরানেও। দেশটির ইসফাহান এবং কেরমান শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এই হামলার ঘটনাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন বলে দাবি করছে তেহরান। যদিও যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।



