Thursday, August 20, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল কি এবার যুক্তরাজ্যে ফিরছেন

সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটও থাকবেন বলে জানিয়েছে একাধিক ব্রিটিশ গণমাধ্যম

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম

রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর ছয় বছর পর চলতি মাসেই যুক্তরাজ্যে ফিরতে যাচ্ছেন প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। তাদের সঙ্গে সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটও থাকবেন বলে জানিয়েছে একাধিক ব্রিটিশ গণমাধ্যম।

বুধবার পিপল ম্যাগাজিন ও দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স ক্যালিফোর্নিয়া থেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য যুক্তরাজ্যে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। তবে হ্যারি ও মেগানের মুখপাত্র কিংবা বাকিংহাম প্যালেস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তাদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র অবশ্য খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

যুক্তরাজ্যে ফেরার পর হ্যারি-মেগান কোনো রাজকীয় বাসভবনে থাকবেন না। ২০২০ সালের মার্চে রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়ার সময় প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে করা সমঝোতা অনুযায়ী, তারা নন-ওয়ার্কিং রয়্যাল হিসেবে জীবনযাপন করবেন।

২০১৮ সালে উইন্ডসর ক্যাসেলে মেগানকে বিয়ে করেন হ্যারি। বিয়ের পর অল্প সময়ের মধ্যেই রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। এর দুই বছর পর ২০২০ সালের মার্চে তারা রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।

পরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারার কাছে অভিজাত এলাকা মন্টেসিটোতে বসতি গড়েন এই দম্পতি। ২০২০ সালে তারা সেখানে ১৬ বেডরুমের একটি বাড়ি কেনেন। বাড়িটির দাম ছিল প্রায় ১ কোটি ৪৭ লাখ ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পর বিভিন্ন টেলিভিশন সাক্ষাৎকার, নেটফ্লিক্সের তথ্যচিত্র এবং হ্যারির আত্মজীবনী ‘স্পেয়ার’-এর মাধ্যমে ব্রিটিশ রাজপরিবার ও রাজতন্ত্রের সমালোচনা করেন তারা। ২০২১ সালে অপরাহ উইনফ্রিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেগান দাবি করেন, রাজপরিবারের এক সদস্য তাদের ছেলে আর্চির গায়ের রং কতটা গাঢ় হতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

ওই সাক্ষাৎকারের পর রাজপরিবারে বর্ণবাদ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তবে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম রাজপরিবার বর্ণবাদী, এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। এ ছাড়া বাবা রাজা চার্লস ও ভাই উইলিয়ামকে নিয়ে হ্যারির বিভিন্ন মন্তব্যও তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়িয়ে দেয়।

এদিকে যুক্তরাজ্যে হ্যারির নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ব্রিটিশ সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিবর্তনের পর হ্যারি একসময় বলেছিলেন, পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা না থাকায় তিনি সন্তানদের যুক্তরাজ্যে নিয়ে আসতে পারছেন না।

তবে এবার সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে ফেরার পরিকল্পনা সেই দীর্ঘ টানাপোড়েনের মধ্যেই হ্যারি-মেগানের জীবনে নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

   

About

Popular Links

x