কয়েক দশকের মধ্যে তুরস্কের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের নির্বাচনে রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কেমাল কিলিচদারওলু কেউই প্রয়োজনীয় ৫০% ভোট পাননি। তাই দেশটির এবারের নির্বাচন স্পষ্টতই দ্বিতীয় দফায় গড়ানোর পথে রয়েছে। তবে ভোটের হিসাবে এগিয়ে রয়েছেন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
রবিবার (১৪ মে) রাতে ফল প্রকাশের শুরুতে এগিয়ে ছিলেন রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। কিন্তু ধীরে ধীরে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কেমাল কিলিচদারওলুর সঙ্গে তার ব্যবধান কমতে থাকে।
বেসরকারি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ৯৭% এর বেশি ভোট গণনা শেষে প্রেসিডেন্ট পদে কোনো প্রার্থী এখনো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাননি। তবে, পার্লামেন্ট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়েছে এরদোয়ানের দল এ কে পার্টির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট পিপলস অ্যালায়েন্স।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যমগুলোর হিসেব বলছে, আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ৯৭ ৪৫% ব্যালট গণনা হয়েছে। এতে এরদোয়ান পেয়েছেন ৪৯.৪০% ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কেমাল কিলিচদারওলু পেয়েছেন ৪৫%।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, তুরস্কে কোনো প্রার্থী ৫০% ভোট না পেলে রানঅফ বা দ্বিতীয় দফায় ভোটে যেতে হবে। সেই হিসেবে, ২৮ মে দ্বিতীয় দফার ভোট হবে। দ্বিতীয় দফার ভোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।
তবে, ভাগ্য এখনো ঝুলে থাকলেও ইতিমধ্যে এরদোয়ানের সমর্থকেরা উল্লাসে মেতেছেন। পথে নেমে উৎসব করছেন তারা। রাতেই রাজধানী আঙ্কারায় এ কে পার্টির সদর দপ্তরের সামনে মিছিল হয়েছে।
আঙ্কারায় দলের সদর দপ্তরের বারান্দায় সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দিয়েছেন এরদোয়ান। এ সময় তিনি বলেন, “প্রথম দফা ভোটে নির্বাচন শেষ হবে কি না, আমরা এখনো তা জানি না। কিন্তু দেশের মানুষ ইচ্ছায় দ্বিতীয় দফায় লড়তে প্রস্তুত রয়েছি আমি।”



