অবহেলিত আর দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে প্রায় পাঁচ বছর ধরে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন মজিবুল হক সবুজ। তার বাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বাঁশেরবাদা গ্রামে।
স্কুলজীবনের শুরু থেকে তিনি স্কাউটিংয়ে যুক্ত ছিলেন। সেখান থেকেই মূলত আত্ননির্ভরশীলতা, মানবকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখা, জীবের প্রতি সদয় হওয়ার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের বিষয়গুলো তার ভেতরে কাজ করতে শুরু করে। এক্ষেত্রে তার বাবা-মায়েরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে বলে জানান সবুজ।
ছোটবেলা থেকেই মজিবুল হক সবুজের আগ্রহ জন্মে জনহিতকর কাজের প্রতি। স্বপ্ন দেখতেন দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। ২০১৫ সালে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি সম্পন্নের কিছুদিন সংশ্লিষ্ট বিভাগে চাকরিও করেন। চাকরি ছেড়ে ২০১৮ সালে তিনি ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করতে থাকেন।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের অর্থ থেকেই তিনি সহায়তা করেন অসহায় মানুষের।
২০১৯ সালে ছোট ভাই সাইফ মুন্তাসিরকে নিয়ে তিনি গ্রিন প্রোডাকশন (Green production) নামে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। তার এই উদ্যোগ এখনও চলমান। দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই মানবিক পথচলায় সাফল্যের পাশাপাশি তিনি পেয়েছেন মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসা।
ভবিষ্যত পরিকল্পনা
সবুজ বলেন, আল্লাহ সহায় থাকলে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে মানুষের সেবা করতে চাই। বেশি বেশি মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। রাস্তায় পড়ে থাকা বৃদ্ধ বাবা মায়েদের জন্য একটি সুন্দর বাসস্থান তৈরি করার ইচ্ছা আছে। তাদের তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থাও করতে চাই। যেন শেষ বয়সে অসহায় বাবা-মায়েদের কষ্ট একটু হলেও দূর করতে পারি।
এতিম এবং পথশিশুদের নিয়েও কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে সবুজের।
সবুজের এসব জনহিতকর কাজের খোঁজ মিলবে "Green Production" এবং "Humanity By Sabuz" নামে তার দুইটি ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজে।



