বর্তমান সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপি ভোটের মাঠে নেই। দলটি গত ২৯ অক্টোবর থেকে দফায় দফায় হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি পালন করে এখন “অসহযোগ” কর্মসূচি পালন করছে। ভোট বর্জন ও সরকারকে সর্বক্ষেত্রে অসহযোগিতা করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে তারা।
তারই ধারাবাহিকতায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আগামী ১ থেকে ৭ জানুয়ারি দেশের সব আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের দক্ষিণ হলরুমে আয়োজিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, “২৮ অক্টোবরের পর থেকে গণতন্ত্রকামী ২৩,৪৬০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা করা হয়েছে ৬৮৪টি। আর গত ১৬ সপ্তাহে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে ১,৪৮২ জনকে। সরকার বা সরকারের কোনো অনুচরদের উসকানিতে পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি সফল করতে সারাদেশের আইনজীবীদের কাছে আহ্বান জানাই।”
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, “এত বছর পরে আমরা ‘হীরক রাজার দেশে’ চলচ্চিত্রের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি জয়নুল আবেদীন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলী, বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রমুখ।



