দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে বিএনপির ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু হয়েছে। শনিবার (৬ জানুয়ারি) ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া হরতাল চলবে সোমবার জানুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত।
যদিও সকাল থেকে ঢাকার সড়কে হরতালের প্রভাব কম দেখা গেছে। যান চলাচলে অনেকটাই স্বাভাবিক চিত্র দেখা গেছে। গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িও ছিল চোখে পড়ার মতো। বেলা যত গড়াচ্ছে সড়কে বাড়ছে গণপরিবহনের সংখ্যাও। যদিও নির্বাচনকে কিছুটা আতঙ্কও আছে পরিবহন চালক ও শ্রমিকদের মধ্যে।
এদিকে রাজধানীতে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। জনগণের যানমালের নিরাপত্তায় পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জরুরি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে হরতালের ডাক দেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বিএনপির কর্মসূচির সমর্থনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং জামায়াতসহ আন্দোলনরত সমমনা দলগুলোও হরতাল পালন করছে।
ওইদন রিজভী অভিযোগ করে বলেন, “একতরফা নির্বাচনে সরকার নিজেরা পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা ঘটিয়ে বিএনপি ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “গণতন্ত্র মঞ্চ ও গণঅধিকার পরিষদের কর্মসূচিতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা হামলা করেছে। এছাড়া সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী প্রতিনিয়ত হামলা করছে। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে এসব হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
এদিকে, হরতালের আগের রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার গোপীবাগ এলাকায় বেনোপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে দেওয়া আগুনে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন পরিকল্পিতভাবে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন।



