Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

খালেদা জিয়ার বক্তব্যে খুশি জয়

সামনে এগিয়ে যেতে বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহের কথাও জানান জয়

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৪, ০৩:১৪ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে সোমবার দেশ ছেড়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। টানা চারবার ক্ষমতায় আসার পরও ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে হয় তাকে।

শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার পর দ্বাদশ সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন রাষ্ট্রপতি। গঠিত হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

এদিকে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওবার্তা দিয়ে এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরছেন শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

সর্বশেষ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জয় জানান, আওয়ামী লীগ পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নেবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ারও দাবি জানান সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এই তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, “আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে। যদি তা না হয়, আমরা বিরোধী দল হব। দুটির যে কোনোটিই ভালো।”

ওই সাক্ষাৎকারে বিএনপির চেয়াপার্সন খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে “উৎসাহব্যঞ্জক” বলেছেন জয়।

তিনি বলেন, “খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে অতীতকে না টানার কথা বলেছেন। এটা শুনে আমি খুব খুশি হয়েছি। আসুন, আমরা অতীতকে ভুলে যাই। প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করি। আমরা একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছি—তা (জাতীয়) ঐক্য সরকার হোক, বা অন্য কিছু হোক।”

সজীব ওয়াজেদ দাবি করেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের আয়োজন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে তিনি বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক ছিলেন। সামনে এগিয়ে যেতে তিনি বিএনপির সঙ্গে কাজ করতে চান বলেও জানান।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার মতো আমাদের শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্র রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি ও সমঝোতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তর্ক করতে পারি। আমরা কোনো বিষয়ে অসম্মত হওয়ার বিষয়ে একমত হতে পারি। আমরা সব সময় সমঝোতার পথ খুঁজতে পারি।”

উল্লেখ্য শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বুধবার ঢাকায় নয়া পল্টনে সমাবেশ করে বিএনপি। এদিন দীর্ঘ ছয় বছর পর বিএনপির সমাবেশে ভাষণ দেন দলটির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

এদিকে রয়টার্সকে দেওয়া একই সাক্ষাৎকারে জয় দাবি করেন, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কখনোই করেননি। তিনি সেই সময় পাননি। জয়ের দাবি, শেখ হাসিনা একটি বক্তব্য দেওয়া ও পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করে। তাই তার হাতে সময় ছিল না।

একই সাক্ষাৎকারে জয় দাবি করেন, আন্দোলনকারীদের দমনে শেখ হাসিনা কোনো নির্দেশ দেননি। এমনকি শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী দেশে শেখ হাসিনা বিচারের মুখোমুখি হতে রাজি ছিলেন।

   

About

Popular Links

x