Tuesday, November 03, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মিরপুরে মেট্রো স্টেশন বন্ধ

প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন শ্রমিকরা

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪২ পিএম

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সহিংসতার জেরে নিরাপত্তার স্বার্থে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকার প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন শ্রমিকরা। এতে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ তাদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলে অস্বীকৃতি জানান আন্দোলনকারীরা।

একপর্যায়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ শুরু করে। জবাবে উত্তেজিত শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুরো এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ছড়িয়ে পড়ে। স্টেশনের ঠিক নিচে সংঘর্ষ চলায় ভেতরে আটকা পড়েন অসংখ্য সাধারণ মেট্রো যাত্রী।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, জনভোগান্তি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। কাউকেই সড়কে অনাকাঙ্ক্ষিত অবরোধ সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।

এর আগে গত রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে একই এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সে সময় নিরাপত্তা বিবেচনায় মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও পল্লবী স্টেশনে ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছিল।

এদিকে সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে টানা আন্দোলনের মুখে দেশের প্রধান তিনটি শিল্পাঞ্চলে চরম সংকট তৈরি হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর-ময়মনসিংহ এবং সাভার-আশুলিয়া-জিরানী অঞ্চলের অন্তত ৬৭৯টি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানি কারক সমিতি (বিজিএমইএ) সূত্রে জানা গেছে, কারখানাগুলো বন্ধ থাকায় আনুমানিক ১৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৭২ জন শ্রমিক কোনো কাজ না করেই কারখানা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করে বাসায় ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। শিল্পাঞ্চলগুলোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।

   

About

Popular Links

x