Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাড়ির চাপ বাড়লেও যানজট নেই

  • শনিবার দুপুর পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়নি
  • সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায়
আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:১৭ পিএম

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে সড়কে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে। দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ এই পথে ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। তবে শনিবার (৬ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও তেমন কোনো যানজট দেখা যায়নি।

জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ২৪,৭১০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। মহাসড়কে টাঙ্গাইলের অংশে ৬৫ কিলোমিটার যানজট নিরসনে পুলিশের প্রায় সাত শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

শনিবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। তবে কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি।

তবে যানজট না থাকলেও গণপরিবহনের সংখ্যা কম থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। পাশাপাশি যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

এদিকে, ঈদ সামনে রেখে যাত্রীদের ভোগান্তি রোধে বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার সড়ক সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে মনিটরিং করছে জেলা পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। যানজট নিরসনে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্বে রয়েছেন তারা।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে প্রায় ২২ থেকে ২৩টি জেলার যানবাহন চলাচল করে। তাই এই সড়কে গাড়ির চাপ থাকে বেশি। ঈদের সময় ঘরমুখো যাত্রীদের চাপে যানবাহনের সংখ্যা ৫ থেকে ৬ গুণ বৃদ্ধি পায়।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে পরিবহন চালকরা ৬৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ৬ লেনের সুবিধা পাচ্ছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন বাড়তে শুরু করলেও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

তিনি বলেন, “এলেঙ্গা থেকে সেতু এলাকায় সাড়ে ১৩ কিলোমটার দুই লেন রয়েছে। সেখানে আমাদের কঠিন নজরদারি রয়েছে। এই সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকা সিসি ক্যামেরায় আওতায় রয়েছে। এছাড়াও টাঙ্গাইল অংশে ৭ শতাধিক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে যাত্রীদের নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরাতে।”

About

Popular Links