Friday, October 02, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শুক্রবার ক্লাস নেওয়ার পোস্ট ‘ভুল করে’ দেওয়া হয়েছিল, দাবি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

কারিগরি ত্রুটির কারণে ভুল করে তথ্যটি ফেসবুকে পোস্ট করার দাবি

আপডেট : ০৫ মে ২০২৪, ০৫:০৮ পিএম

তীব্র শীত ও গরম ছাড়াও নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নির্ধারিত ছুটির বাইরেও এ বছর প্রায় ২০ দিনের বেশি অতিরিক্ত বন্ধ ছিল দেশের স্কুল-কলেজ।

সম্প্রতি তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। এর আগে জানুয়ারি মাসে তীব্র শীতের কারণে দেশের কয়েকটি জেলায় কিছুদিন বন্ধ ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অতিরিক্ত এই বন্ধের ফলে সৃষ্ট সময় শিখন ঘাটতি পূরণ করতে প্রয়োজনে শুক্রবারও স্কুল খোলা রাখা হতে পারে বলে রবিবার (৫ মে) দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বরাত দিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে।

তবে কিছুক্ষণ পরই এ সংক্রান্ত পোস্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ফেসবুকে আরেকটি পোস্ট দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই বক্তব্যটি সঠিক নয়। এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে ফেসবুক পেজে নতুন পোস্টে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে “শুক্রবার শিক্ষা খোলার বিষয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড পেজে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর বরাতে দেওয়া তথ্য ভুলবশত পোস্ট করা হয়েছে। এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত শনিবারের পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।” 

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, “কারিগরি ত্রুটির কারণে ভুল করে তথ্যটি ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছিল।”

এর আগে শিক্ষামন্ত্রীর বরাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, “আমাদের এখন বছরে স্কুলের মোট কর্মদিবস ১৮৫টি। এর মধ্যে ২০ দিন নতুন শিক্ষাক্রমের মূল্যায়নের জন্য রাখা হয়েছে। স্কুলের কর্মদিবস যদি আরও কমে যায়, শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজনে শুক্রবারও ক্লাস নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে দেওয়া ছুটি শেষে রবিবার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগেই ঘোষণা দিয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শনিবারও মাধ্যমিক পর্যায়ে ক্লাস চলবে। তবে, আপাতত প্রাথমিকে বন্ধ থাকছে শনিবার।

এর আগে, রমজান মাস, স্বাধীনতা দিবস, ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি সমন্বয় করে গত ২৬ মার্চ থেকে দেশের নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। ২১ এপ্রিল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত পাঠদান শুরুর কথা ছিল। তবে দেশজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০ এপ্রিল এক সপ্তাহ ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ছুটির পর ২৮ এপ্রিল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়। তবে একদিন ক্লাস করেই তাপপ্রবাহের কারণে ২৯ এপ্রিল পাঁচ জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ৩০ এপ্রিল দুটি বিভাগের সব জেলাসহ দেশের বেশ কয়েকটি জেলার সব মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয় ২ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

   

About

Popular Links

x