Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রধানমন্ত্রী: কখনোই চাইনি এভাবে মানুষ আপনজন হারাবে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জামায়াত-শিবির, বিএনপি এই ধ্বংসাত্মক কাজ করে যাচ্ছে। এদের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্ববোধ নেই। মানুষকে এরা মানুষ হিসেবেই গণ্য করে না’

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৪, ১১:১০ পিএম

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সারাদেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে অভিযোগ করে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, “যেটা আমি কখনো চাইনি, কখনোই চাইনি এভাবে মানুষ আপনজন হারাবে, এইভাবে মৃত্যুর মিছিল হবে। আজকে বাংলাদেশে (তারা) সেটাই করল।”

শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকেলে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতায় আহতদের খোঁজখবর নিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আবারও বলবো, দেশবাসীকে বলবো, যারা এই ধরনের জঘন্য কাজ করে, তাদের কোথায় কে আছে খুঁজে বের করা। তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া, যেন আর কখনও এ দেশের মানুষের জীবন নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে।”

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা/সংগৃহীত

সহিংসতায় যারা মারা গেছেন, তাদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “অত্যন্ত বেদনাদায়ক অবস্থা, আজ এতগুলো মানুষ আহত-নিহত হলো। আমি তো আমার সব হারিয়েছি- বাবা-মা, ভাই- সব হারিয়েছি, আমি তো জানি মানুষের হারানোর বেদনা কী? আমার চেয়ে বোধ হয় আর কেউ বেশি জানে না।”

কোটা আন্দোলনের সুযোগে বিএনপি-জামায়াত ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে মন্তব্য করে সরকারপ্রধান বলেন, “এই জামায়াত-শিবির, বিএনপি, ছাত্রদল তারাই এই সুযোগটা নিয়ে, কোটা আন্দোলনের সুযোগটা নিয়ে সারা দেশব্যাপী এই ধ্বংসাত্মক কাজ করে যাচ্ছে। এদের মধ্যে কোনো মনুষ্যত্ববোধ নেই, দেশের প্রতি কোনো মায়া-মমতা নেই, দেশের প্রতি কোনো দায়িত্ববোধ নেই। আর মানুষকে এরা মানুষ হিসেবেই গণ্য করে না।”

তিনি বলেন, “আমার প্রশ্ন, এতে অর্জনটা কী হলো? কতগুলো মানুষের জীবন চলে গেলো। কতগুলো পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হলো।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি চাচ্ছিলাম দেশে শান্তি থাকবে, দেশের মানুষের উন্নতি হবে, দেশের মানুষ সুন্দরভাবে বাঁচবে। আমি সব দিকে ব্যবস্থা করেছি। কত বার আমাকে মারার চেষ্টা করেছে। তারপরও আমি সব কিছু ভুলে…দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। মানুষ যেন ভালো থাকে। কিন্তু সেই খানে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এবং তারপর মানুষগুলোর ওপর হামলা করা। মানুষের সেবা করার প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা। এর চেয়ে কষ্টের আর কিচ্ছু হয় না।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন, প্রতিমন্ত্রী রোকেয়া সুলতানা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

   

About

Popular Links

x