দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে মশাল মিছিল করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রতিবাদ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শান্ত চত্বর থেকে শুরু হয়ে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ে ঘুরে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে আসে। এসময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেন পথচারীরাও।
মিছিলে “ধর্ষকের শাস্তি, মৃত্যু মৃত্যু”, “জাস্টিস জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস”, “আমার বোনের কান্না, আর না আর না”সহ নানা স্লোগান দেওয়া হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কাজী তামান্না বলেন, “নারীরা আজ কোথাও নিরাপদ না। না ঘরে, না বাইরে। কোথাও শান্তি নাই। সব জায়গাতেই মানুষরূপী পশুদের রাজত্ব। ফেসবুক বা মিডিয়া খুললেই শুধু ধর্ষণ। প্রকাশ্য মৃত্যুর শাস্তি নীতি চালু করলে এই ভাইরাস কমবে। ধর্ষণ এখন সংক্রমণ রোগের মতো রূপ নিয়েছে।”
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জবি শাখার সদস্য সচিব সিফাত হাসান সাকিব বলেন, “বিগত সময়ে আমরা দেখেছি আমাদের বোনদের ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত চলমান বলে বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ করা হয়েছে বারবার। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরও এই ধারা অব্যাহত থাকে তাহলে এটা হবে আমাদের জাতির জন্য লজ্জাজনক। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”
আরেক শিক্ষার্থী ইভান তাহসিব বলেন, “সামাজিকভাবে নারীদের যে হেয় করা হয়। এর প্রতিবাদে আমরা এখানে হাজির হয়েছি। সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ। ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে আর কেউ ধর্ষণ বা এরকম অপরাধ করার সাহস পাবে না। আমরা ধর্ষকদের সামাজিকভাবে বয়কট করার দাবি জানাই। “
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের তৃতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী তানিয়া বলেন, “এই সমাজের মানুষ যতই বলুক ধর্ষণের কারণ নারীর পোশাক; তবে কেন বোরকা পরা নারী, আট বছরের শিশু ধর্ষণ হয়? সমাজের কাছে জবাব চাই। পোশাক নয় বরং কিছু পুরুষের বিকৃত মানসিকতাই ধর্ষণের কারণ।”
এসময় প্রতিবাদ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।



কেরানীগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে গণধর্ষণ, জড়িতরা ‘কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য’
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার, আদালতে তোলার সময় পিটুনি