দীর্ঘদিন ধরে তামাকজাত পণ্যে ব্যবহারের বিপক্ষে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার (মানস) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী। তার মতে ধূমপান একটি আসক্তির মতো।
তার মতে, ধূমপান ছাড়ার জন্য কোনো প্রস্তুতির দরকার নেই। তার জন্য একটি সিদ্ধান্তই যথেষ্ট।
তবে যারা ধূমপানে আসক্ত, তাদের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যেমন কঠিন, তার চেয়েও কঠিন হলো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা। তবে ধূমপায়ীরা যদি ধূমপান ছাড়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অটল থাকেন, তাহলে নিচের টিপসগুলো আপনার জন্য।
১. আজ এখন থেকেই ধূমপান ছাড়ার প্রতিজ্ঞা করুন। সঙ্গে থাকা সিগারেটের প্যাকেট এখনই ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলুন।
২. একদিন ধূমপান না করে দেখুন। এরপর পার্থক্য অনুভব করার চেষ্টা করুন। এরপর দুই দিন, তিন দিন ধূমপান থেকে বিরত থাকুন। তাহলে অভ্যাস গড়ে উঠবে।

৩. আপনার পরিচিত যারা ধূমপান বর্জন করেছেন, তাদের অনুসরণ করুন। তাদের স্বাস্থ্যগত কী পরিবর্তন এসেছে সেটি জানার চেষ্টা করুন।
৪. হিসেবে করে দেখুন, সিগারেট বা তামাকজাত পণ্যের জন্য আপনার প্রতিমাসে কত টাকা খরচ হয়। হিসেব করে দেখলে ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য সহজ হবে।
৫. ধূমপায়ী বন্ধুদের সঙ্গ এড়িয়ে চলুন।
৬. সিগারেট ছাড়ার পর মুখে চুইংগাম কিংবা আদা চিবোতে পারেন। তাহলে ধূমপানের প্রতি আকর্ষণ কমে আসবে।
৭. যখন আপনার ধূমপান করতে ইচ্ছা করবে, তখন রাস্তায় হাঁটুন। তাহলে ধূমপানের চাহিদা থাকবে না।
৮. যেকোনো জায়গাযর ধূমপান কর্নার থেকে দূরে থাকুন।
৯. ধূমপান বিরোধী এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার বই পড়তে পারেন।
১০. নিরুপায় হলে সর্বশেষ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে কাউন্সেলিং-এর সহায়তা নিতে পারেন।
সবচেয়ে বড় কথা হলো নিজের ইচ্ছাশক্তি। ধূমপানের বিরুদ্ধে নিজের ইচ্ছাশক্তিকে জাগিয়ে তুলুন। অবশ্যই সফল হবেন। আপনার জন্য অপেক্ষা করছে একটি সুস্থ এবং স্বাস্থ্যকর জীবন।



শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে ধূমপান করে ডেকে আনছেন যে বিপদ
ধূমপান করতে নিষেধ করায় শিক্ষককে ছুরিকাঘাত