দৈনিক আজকের কাগজের প্রকাশক ও সম্পাদক, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) ও জেমকন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা কাজী শাহেদ আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) জোহরের নামাজের পর ধানমন্ডি ৭ নম্বর সড়কের বায়তুল আমান মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পরিচালনা করেন বায়তুল আমান মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ জামাল।
নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, জেমকন গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী, অসংখ্য গুণগ্রাহীসহ সর্বস্তরের মানুষ তার জানাজায় অংশ নেন।
জানাজার নামাজ শুরু হওয়ার আগে কাজী শাহেদ আহমেদের বড় ছেলে কাজী নাবিল আহমেদ তার বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
কাজী শাহেদ আহমেদের প্রথম জানাজার নামাজের পর তার মরদেহ নেওয়া হবে আবাহনী ক্লাবে। সেখানে আবাহনী মাঠে তার মরদেহ রাখা হবে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে গুলশানে। সেখানে আসরের নামাজের পর গুলশান আজাদ মসজিদে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
কাজী শাহেদ আহমেদ ১৯৪০ সালের ৭ নভেম্বর যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রকৌশলবিদ্যায় পড়ালেখা শেষে তিনি ১৪ বছর সেনাবাহিনীতে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাকালীন প্লাটুন কমান্ডারদের একজন ছিলেন তিনি।
চাকরি ছেড়ে ১৯৭৯ সালে “জেমকন গ্রুপ” প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে তার ব্যবসায়িক জীবন শুরু। বাংলাদেশে প্রথম অর্গানিক চা বাগানের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি।
১৯৭৫ সালে তিনি হাল ধরেন আবাহনী লিমিটেডের। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ক্লাবটির ডিরেক্টর ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
সোমবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ৮২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
কাজী শাহেদ আহমেদ স্ত্রী ও তিন ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী আমিনা আহমেদ বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী। বড় ছেলে কাজী নাবিল আহমেদ যশোর-৩ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। মেজো ছেলে কাজী আনিস আহমেদ ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউন ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিনের প্রকাশক। ছোট ছেলে ইনাম আহমেদ জেমকন গ্রুপের পরিচালক।



