বাংলাদেশের আধুনিক সাংবাদিকতার পথপ্রদর্শক “দৈনিক আজকের কাগজ”-এর প্রকাশক ও সম্পাদক, জেমকন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা কাজী শাহেদ আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বাদ আসর গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদে (আজাদ মসজিদ) তৃতীয় ও শেষ জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এ সময় কাজী শাহেদ আহমেদের তিন ছেলেসহ আত্মীয়-স্বজন এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদে (আজাদ মসজিদ) তৃতীয় ও শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয় কাজী শাহেদ আহমেদের। জানাজা পরিচালনা করেন আজাদ মসজিদের ইমাম মাওলানা ফাহিমুর রহমান।
জানাজা শুরু হওয়ার আগে কাজী শাহেদ আহমেদের বড় ছেলে সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ তার বাবার জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।
জানাজায় অংশ নেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত, বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস, বিসিবির পরিচালক ঈসমাইল হায়দার মল্লিক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন, খালিদ মাহমুদ সুজন, মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাসোসিয়েশন এবং জেমকন গ্রুপের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সাধারণ মুসল্লিরা।
এর আগে ধানমন্ডি ৭ নম্বর সড়কের বায়তুল আমান মসজিদে কাজী শাহেদ আহমেদের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জানাজা পরিচালনা করেন বায়তুল আমান মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ জামাল।
কাজী শাহেদ আহমেদের প্রথম জানাজার পর তার মরদেহ নেওয়া হয় ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে। সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সর্বস্তরের মানুষ কাজী শাহেদ আহমেদের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। ধানমন্ডি থেকে মরদেহ নিয়ে আসা হয় গুলশানের আজাদ মসজিদে (গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদ)।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কাজী শাহেদ আহমেদ।
কাজী শাহেদ আহমেদের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি স্ত্রী ও তিন ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী আমিনা আহমেদ বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী। বড় ছেলে কাজী নাবিল আহমেদ যশোর-৩ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। মেজো ছেলে কাজী আনিস আহমেদ ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউন ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের প্রকাশক। কাজী শাহেদ আহমেদের ছোট ছেলে ইনাম আহমেদ জেমকন গ্রুপের পরিচালক।



