বাংলাদেশে গোয়েন্দা পুলিশসহ (ডিবি) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপরাধবিরোধী তৎপরতার কারণে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারকে ভারতে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
তিনি বলেছেন, “ডিবি পুলিশ এর আগে বেশ কয়েকটি হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে। তাই অপরাধীরা সাহস না পেয়ে বাইরে মার্ডার করেছে।”
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সেখানকার পুলিশ কাজ করছে। নিহতের লাশের পুরোপুরি অংশ পাওয়া যাবে কি-না বলতে পারছি না। তবে আমরা আশা করছি, কিছু অংশ পাওয়া যাবে।”
হারুন বলেন, “৩০ এপ্রিল অপরাধীরা বিমানে কলকাতা যায়। তার আগেই ২৫ এপ্রিল ভাড়া করা বাসায় গিয়ে তারা ওঠে। কলকাতায় তারা মাঝে মাঝে যেতেন। কলকাতায় গিয়েও তারা দুইজনকে হায়ার করে।”
তিনি বলেন, “মূল পরিকল্পনাকারী সবকিছু ঠিক করে ১০ মে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ভুক্তভোগী সংসদ সদস্য ১২ মে ভারতে যান। ১৩ মে ওনাকে একটি সাদা গাড়িতে করে ফয়সাল নামে একজন রিসিভ করে একটি ওই বাসায় নিয়ে যায়। ১৩ মে দুপুর ২টা ৫১ মিনিটে তারা সেখানে গিয়েছিল। এর আধা ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।”
তিনি আরও বলেন, “লাশ যাতে খুঁজে না পাওয়া যায় সেজন্য লাশ টুকরো টুকরো করা হয়। এরপর স্যুটকেসে করে সেটি নিয়ে যায়। লাশের হাড় থেকে মাংস আলাদা করে তারা। মানুষের চোখ ফাঁকি দিতে মাংসে হলুদ লাগিয়ে নেয়। পর্যায়ক্রমে তারা বাংলাদেশে চলে আসে।”
ডিবিপ্রধান বলেন, “এরপরে মাস্টারমাইন্ড দিল্লি থেকে কাঠমুন্ডু চলে যায়। এরপর হয়তো অন্য কোথাও গেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ খুঁজছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে তারা মোবাইল ফোন বিভিন্ন জায়গা থেকে ব্যবহার করেছে।”



