ঢাকার বেইলি রোডে আগুন লাগা বহুতল ভবনটিতে অন্তত ছয়টি রেস্টুরেন্টের অবস্থান। এছাড়া সেখানে ইলেকট্রনিকস ও কাপড়ের দোকান ছিল বলেও জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ভবনটির দ্বিতীয় তলায় ‘‘কাচ্চি ভাই’’ নামের একটি খাবারের দোকানে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
দিবাগত রাত ২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জানা যায়, দোতলায় ‘‘কাচ্চি ভাই’’ ছাড়াও ওই ভবনের বিভিন্ন তলায় অন্তত ছয়টি খাবারের দোকান রয়েছে। তাদের মধ্যে- কাচ্চি ভাই, খানা’স, পিজ্জা ইন, স্ট্রিট ওভেন, অ্যামব্রোসিয়া ও ফুকোর নাম জানা গেছে। এছাড়া, ভবনের নিচতলায় আন্তর্জাতিক ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড স্যামসাং ও স্থানীয় ইলেকট্রনিক্স পরিবেশক গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের আউটলেট আছে।
তৃতীয় তলায় আইলিন নামে একটি পোশাকের দোকান রয়েছে। চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলায় যথাক্রমে খানা’স, পিজ্জা ইন ও স্ট্রিট ওভেন নামে তিনটি খাবারের দোকান রয়েছে বলে চিহ্নিত করা গেছে।
এগুলো ছাড়াও ভবনে ক্লোসেট ক্লাউড নামে আরেকটি পোশাকের দোকান রয়েছে বলে জানা যায়। আগুনে সবগুলো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানই ভস্মীভূত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত। দ্রুতই আগুন উপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ভেতরে থাকা লোকজন আতঙ্কে উপরে উঠে যায়। ভবন থেকে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কয়েকজন আহত হন। তাদের মধ্যে ১২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, মৃতের মধ্যে ৩৩ জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং ১০ জনের মরদেহ শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে রাখা হয়েছে। আর ভবনটি থেকে ১১৭ জনকে উদ্ধারের কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।



